ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

গাজার মানুষ এখন আতঙ্কিত, অসহায় এবং বিধ্বস্ত।

রক্তেই ভেসে গেল গাজার শিশুদের ঈদ উদযাপনের স্বপ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫ ২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরাইল-হামাস সংঘাত শুরুর পর প্রথমবারের কোনো হামলা ছাড়া (যুদ্ধবিরতি থাকায়) ঈদ উদযাপন করার আশা ছিল গাজার শিশুদের। কিন্তু ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে গাজার বাসিন্দাদের সব আশা রক্তের সাথে ভাসিয়ে দিয়েছে দখলদার ইসরাইল।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজার মানুষ এখন আতঙ্কিত, অসহায় এবং বিধ্বস্ত। উপত্যকাটিতে ত্রাণ সরবরাহের ওপর ইসরাইলের ১৭ দিনের অবরোধের পর সবশেষ হামলার ঘটনা ঘটল।
ফলে সেখানকার মানুষ ইতোমধ্যেই অনাহারে ভুগছে। তাদের খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই। পাঁচ লাখ ফিলিস্তিনিকে পানি সরবরাহকারী পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রটিও আর কাজ করছে না।
ওষুধ নেই, জ্বালানি নেই, রান্নার গ্যাসও নেই। ফিলিস্তিনিরা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের জন্য সংগ্রাম করছেন।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই, ফিলিস্তিনিরা গাজার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিশাল আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছেন।

সবাই এখন ভীত, বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা যারা ভেবেছিল রমজান শেষ হয়ে যাবে এবং তারা প্রথমবারের মতো কোনো বিমান হামলা ছাড়াই ঈদ উদযাপন করতে পারবে।

কিন্তু ইসরাইল যে বর্বরতা দেখাল, তা বর্ণনা করার মতো কোনো শব্দও হয়তো নেই।
সূত্র: আল জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজার মানুষ এখন আতঙ্কিত, অসহায় এবং বিধ্বস্ত।

রক্তেই ভেসে গেল গাজার শিশুদের ঈদ উদযাপনের স্বপ্ন

আপডেট সময় : ১০:৫০:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

ইসরাইল-হামাস সংঘাত শুরুর পর প্রথমবারের কোনো হামলা ছাড়া (যুদ্ধবিরতি থাকায়) ঈদ উদযাপন করার আশা ছিল গাজার শিশুদের। কিন্তু ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে গাজার বাসিন্দাদের সব আশা রক্তের সাথে ভাসিয়ে দিয়েছে দখলদার ইসরাইল।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজার মানুষ এখন আতঙ্কিত, অসহায় এবং বিধ্বস্ত। উপত্যকাটিতে ত্রাণ সরবরাহের ওপর ইসরাইলের ১৭ দিনের অবরোধের পর সবশেষ হামলার ঘটনা ঘটল।
ফলে সেখানকার মানুষ ইতোমধ্যেই অনাহারে ভুগছে। তাদের খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই। পাঁচ লাখ ফিলিস্তিনিকে পানি সরবরাহকারী পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রটিও আর কাজ করছে না।
ওষুধ নেই, জ্বালানি নেই, রান্নার গ্যাসও নেই। ফিলিস্তিনিরা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের জন্য সংগ্রাম করছেন।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই, ফিলিস্তিনিরা গাজার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিশাল আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছেন।

সবাই এখন ভীত, বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা যারা ভেবেছিল রমজান শেষ হয়ে যাবে এবং তারা প্রথমবারের মতো কোনো বিমান হামলা ছাড়াই ঈদ উদযাপন করতে পারবে।

কিন্তু ইসরাইল যে বর্বরতা দেখাল, তা বর্ণনা করার মতো কোনো শব্দও হয়তো নেই।
সূত্র: আল জাজিরা