ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জের লতিফপুরে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধা মায়ের উপর ময়লা নিক্ষেপ ও ঘর ভাংচুরের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জে বণিক সমিতির সঞ্চিত অর্থ-আমানত নাকি খেয়ানত? বিএনপিকে অবশ‍্যই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সফল হতে হবে, নিজ দলে সৎ যোগ‍্য ও ত‍্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে, সাবেক ছাত্রনেতার ফেইসবুক স্ট্যাটাস জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ায় যুবককে হাতুড়িপেটা, বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে হান্নান মাসুদের বাবা জামানত হারালেন মোটরসাইকেল উল্টে প্রাণ গেল একমাত্র সন্তানের পাবনার জামানত হারালেন ১৬ প্রার্থী বাগেরহাটে সংঘর্ষে আহত স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক নিহত ঝালকাঠির দুই আসন বিএনপির ঘাঁটিতে এবার শক্তিশালী অবস্থানে জামায়াত, ভোট যুদ্ধে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে ভারতীয় চোরাচালানে জড়িত কুরিয়ার সার্ভিস, আটক ২।

চন্দ্রগঞ্জে বণিক সমিতির সঞ্চিত অর্থ-আমানত নাকি খেয়ানত?

কবির আহমদ ফারুক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চন্দ্রগঞ্জে বণিক সমিতির সঞ্চিত অর্থ-আমানত নাকি খেয়ানত?

কবির আহমদ ফারুক
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বণিক সমিতির নামে নেওয়া লক্ষ লক্ষ টাকার হিসাব নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। ব্যবসায়ীদের দাবি-এ অর্থ কি এখনো নিরাপদ আমানত, নাকি তা খেয়ানতের পর্যায়ে পৌঁছেছে?
জানা যায়, বিগত সরকারের সময় ‘চন্দ্রগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটি’ বিলুপ্ত করে বাজারের ব্যবসায়ীদের নিয়ে দুটি সমিতি গঠন করা হয়। ওই সময় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে লক্ষ লক্ষ টাকা আমানত হিসেবে নেওয়া হয়।
কিন্তু ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই ওই দুই সমিতির কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ‘চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি’ নামে একটি অনির্বাচিত সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
বর্তমানে এই কমিটি বাজারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ব্যবসায়ীদের আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বণিক কল্যাণ ও পূর্বের সমিতির কাছে জমা থাকা অর্থ ফেরতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা প্রথমে তাদের জমা দেওয়া আমানতের অর্থ ফেরত চান। এরপর ব্যবসায়ীদের সরাসরি অংশগ্রহণে একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক বাজার কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, অতীতে বিভিন্ন মহলে দেন-দরবার ও তদবির করেও কোনো সমাধান মেলেনি। ফলে ক্ষোভ বাড়ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যেকোনো সময় ব্যবসায়ীরা তাদের সঞ্চিত আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে রাজপথে নামতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চন্দ্রগঞ্জে বণিক সমিতির সঞ্চিত অর্থ-আমানত নাকি খেয়ানত?

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চন্দ্রগঞ্জে বণিক সমিতির সঞ্চিত অর্থ-আমানত নাকি খেয়ানত?

কবির আহমদ ফারুক
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বণিক সমিতির নামে নেওয়া লক্ষ লক্ষ টাকার হিসাব নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। ব্যবসায়ীদের দাবি-এ অর্থ কি এখনো নিরাপদ আমানত, নাকি তা খেয়ানতের পর্যায়ে পৌঁছেছে?
জানা যায়, বিগত সরকারের সময় ‘চন্দ্রগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটি’ বিলুপ্ত করে বাজারের ব্যবসায়ীদের নিয়ে দুটি সমিতি গঠন করা হয়। ওই সময় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে লক্ষ লক্ষ টাকা আমানত হিসেবে নেওয়া হয়।
কিন্তু ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই ওই দুই সমিতির কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ‘চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি’ নামে একটি অনির্বাচিত সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
বর্তমানে এই কমিটি বাজারের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ব্যবসায়ীদের আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বণিক কল্যাণ ও পূর্বের সমিতির কাছে জমা থাকা অর্থ ফেরতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা প্রথমে তাদের জমা দেওয়া আমানতের অর্থ ফেরত চান। এরপর ব্যবসায়ীদের সরাসরি অংশগ্রহণে একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক বাজার কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, অতীতে বিভিন্ন মহলে দেন-দরবার ও তদবির করেও কোনো সমাধান মেলেনি। ফলে ক্ষোভ বাড়ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যেকোনো সময় ব্যবসায়ীরা তাদের সঞ্চিত আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে রাজপথে নামতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।