আইডিতে মানহানির অভিযোগ, পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার নজরুল ইসলাম টিটু
- আপডেট সময় : ০১:১২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ৪৪০ বার পড়া হয়েছে

আইডিতে মানহানির অভিযোগ, পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার নজরুল ইসলাম টিটু
মো: গোলাম কিবরিয়া : সহ বার্তা সম্পাদক
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের নূর মিয়া মুন্সিবাড়ির মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম টিটু। পিতা: হেদায়েতুল্লাহ মেম্বার। নজরুল ইসলাম টিটু প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তারা ৪ ভাই ও ১ বোন। তার বড় ভাই দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা অফিসার হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অপর দুই ভাই বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও তারা বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করে যাচ্ছেন।
এই পরিবারে নজরুল ইসলাম টিটু ছাত্রজীবনে কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে এসে তিনি চন্দ্রগঞ্জ বাজারে একটি মনিহারি দোকান পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৭ বছরের সময়ে নানা নিপীড়ন, জেল-জুলুম ও ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হন তিনি। এ সময়ে তাকে একাধিকবার কারাবরণও করতে হয়েছে বলে জানা যায়।
নজরুল ইসলাম টিটুর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি পরিকল্পিত মহল দীর্ঘদিন ধরে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জমি বিক্রির টাকার বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক লেনদেন। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মোবাইল বার্তার মাধ্যমে পাওনা টাকা চাওয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক।
পরিবারের দাবি, ফেক আইডি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ছড়ানো একটি সুপরিকল্পিত মানহানির অংশ। এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে একজন ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মীর দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ও ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ব্যক্তি স্বার্থে বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ধরনের অপপ্রচার গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে এক ফোনালাপে “চন্দ্রগঞ্জ প্রতিদিন”-কে মোঃ রাসেল জানান, আলোচিত কথোপকথনটি ২০২১ সালে করা হয়েছিল।
পরিশেষে, নজরুল ইসলাম টিটুর পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা সকলকে গুজবে কান না দিয়ে সত্য যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।











