চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা হওয়ায় প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাজার প্রাঙ্গনে বিজয় মিছিল
মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা, সহ-বার্তা সম্পাদক
লক্ষ্মীপুর জেলার দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত ‘চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা’ নবগঠিত হওয়ায় আনন্দ ও উল্লাসে ভাসছে পুরো জনপদ। সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ও কুমিল্লা বোর্ডের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে এক বিশাল আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুর ২.০০ ঘটিকায় চন্দ্রগঞ্জ বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আনন্দ মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো অতিক্রম করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রী জনাব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মহোদয়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। উপজেলার মর্যাদা পাওয়ায় চন্দ্রগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটেছে বলে মিছিলে স্লোগান দেওয়া হয়।
আনন্দ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সিরাজুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে চন্দ্রগঞ্জের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, "চন্দ্রগঞ্জ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জনপদ ভৌগোলিক এবং কৌশলগত দিক থেকে এই অঞ্চলের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের এই উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।" নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সদরদপ্তর স্থাপনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। চন্দ্রগঞ্জবাসী ও প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রধান দাবিগুলো হলো:
উপজেলা সদরদপ্তর স্থাপন:
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের অভ্যন্তরে এবং চন্দ্রগঞ্জ থানার পশ্চিম পাশে উপজেলা সদরদপ্তর স্থাপন করতে হবে।
যৌক্তিকতা:
বক্তব্যে জানান, থানার পশ্চিম পাশের এলাকাটি যাতায়াত ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে এই স্থানটিই সর্বোত্তম।
প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সদরদপ্তরটি প্রস্তাবিত স্থানে (থানার পশ্চিম পাশে) স্থাপিত হলে তা চন্দ্রগঞ্জের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই সকল সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে। তারা এই বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পানি সম্পদ মন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
আনন্দ মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়।