নিজস্ব প্রতিনিধি : চন্দ্রগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক ইসমাইল হোসেনের ওপর হামলার ঘটনার ১১ দিন পর আজ (১২ অক্টোবর) নতুন করে আলোচনায় এসেছে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলা। গত ১ অক্টোবর চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজের সংবাদ সংগ্রহের সময় ইসমাইল হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে নিন্দা ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছিল।
এদিকে, চন্দ্রগঞ্জ থানায় দায়ের করা এজাহারে সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত ও ফজলে এলাহী মোহনসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বাদী নূর হোসেন (অনিক), চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের তাহের রাইস স্টোরের স্বত্বাধিকারী। এজাহারে মারধর, দোকানে লুটপাট, টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলাটিকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা। তবে মামলার অভিযোগের সত্যতা কিংবা এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সাংবাদিকদের দাবি, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। কারণ হামলার পর তাদের করা সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের সাথে মামলার এজহারে উল্লেখিত অভিযোগের কোনো মিল নেই, একই সঙ্গে চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসির ভূমিকা নিয়েও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।