ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ঝালকাঠির দুই আসন বিএনপির ঘাঁটিতে এবার শক্তিশালী অবস্থানে জামায়াত, ভোট যুদ্ধে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে ভারতীয় চোরাচালানে জড়িত কুরিয়ার সার্ভিস, আটক ২। বিএনপি’র হামলায় জামাতের দশজন আহত হ্যান্ড পেইন্ট নিয়ে কিছু কথা-জেনে নিন নিয়ম পদ্ধতি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত মুক্তিযুদ্ধ না থাকলে শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমান থাকেনা এস এম জিলানী। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগদান রক্ত দিয়ে হলেও কমিটমেন্ট রক্ষা করেছি: আসিফ মাহমুদ কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধ, ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ২ সরকারি মাহ্তাব উদ্দিন কলেজ ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি–২০২৬

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

মো: নজরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

মো: নজরুল ইসলাম : স্টাফ রিপোর্টার

যা ঘটেছিল শেরপুরে
স্থানীয় সহকর্মী সাংবাদিকদের তথ্য, প্রত্যক্ষ্যদর্শীর বর্ণনা এবং ভিডিও অনুযায়ী, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে মাথায় এবং কানের নীচে কো/পে হ/ত্যা করেছে বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা।

কী কারণে এই নৃশংস হ/ত্যা তা জানলে, অবাক হবেন। ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানের সামনের সারির চেয়ারে বসার মত তুচ্ছ কারণে ঘটনার সূত্রপাত। ঝিনাইগাতী স্টেডিয়ামে সব প্রার্থীর ইশেতহার প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল সহকারী রিটার্নিং তথা ইউএনওর আয়োজনে। ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা মিলে শেরপুর-৩ আসন।

বেলা আড়াইটার অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রার্থীর সমথর্করা আগে দিয়ে সামনে চেয়ারে বসেন। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল পার্শ্ববর্তী উপজেলা শ্রীবরদী নির্বাচনের প্রচারে থাকায় তাঁর আসতে বিলম্ব হয়। তাই তাঁর সমর্থক কর্মীরাও  বিলম্বে আসেন। ততক্ষণে অনুষ্ঠানস্থলের সামনে ৫০০ আসনের অধিকাংশ জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের কর্মী সমর্থকরা বসে পড়েন।

তখন বিএনপি নেতারা ইউএনওকে বলেন, অর্ধেক অর্ধেক আসন ভাগ করে দিতে। ইউএনও জামায়াত প্রার্থীকে বলেন, কিছু চেয়ার ছেড়ে দিতে। জামায়াত প্রার্থী মাইকে কর্মীদের আসন ছাড়তে বলেন। তবে সমর্থকরা সামনের সারির অর্ধেক আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে পেছনের কিছু চেয়ার খালি করে দেয়।
এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলেও দুই পক্ষ স্লোগান দেয়। জামায়াতের সমর্থকদের চেয়ার থেকে তুলতে গেলে, হাতাহাতি শুরু হয়।  এ সময়ে চেয়ার ছুঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়। হাতাহাতি হয়। কে আগে শুরু করেছে, কে কম মেরেছে, কে বেশি মেরেছে- এই আলাপে যাচ্ছি না। তবে পুলিশ কিছু না করে চুপ মারামারি চেয়ে চেয়ে দেখে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে দক্ষিণে ঝিনাইগাতী বাজারে অবস্থান নেয়। মাঠে থাকে জামায়াতের প্রার্থী ও সমর্থকরা। এর কিছু সময় পর খবর আসে ‘ফাহমী গোলন্দাজ সোহেল’ নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে, ‘জামায়াতের বাদলকে পেলে জ/বা/ই করা হবে’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

মো: নজরুল ইসলাম : স্টাফ রিপোর্টার

যা ঘটেছিল শেরপুরে
স্থানীয় সহকর্মী সাংবাদিকদের তথ্য, প্রত্যক্ষ্যদর্শীর বর্ণনা এবং ভিডিও অনুযায়ী, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে মাথায় এবং কানের নীচে কো/পে হ/ত্যা করেছে বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা।

কী কারণে এই নৃশংস হ/ত্যা তা জানলে, অবাক হবেন। ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানের সামনের সারির চেয়ারে বসার মত তুচ্ছ কারণে ঘটনার সূত্রপাত। ঝিনাইগাতী স্টেডিয়ামে সব প্রার্থীর ইশেতহার প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল সহকারী রিটার্নিং তথা ইউএনওর আয়োজনে। ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা মিলে শেরপুর-৩ আসন।

বেলা আড়াইটার অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রার্থীর সমথর্করা আগে দিয়ে সামনে চেয়ারে বসেন। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল পার্শ্ববর্তী উপজেলা শ্রীবরদী নির্বাচনের প্রচারে থাকায় তাঁর আসতে বিলম্ব হয়। তাই তাঁর সমর্থক কর্মীরাও  বিলম্বে আসেন। ততক্ষণে অনুষ্ঠানস্থলের সামনে ৫০০ আসনের অধিকাংশ জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের কর্মী সমর্থকরা বসে পড়েন।

তখন বিএনপি নেতারা ইউএনওকে বলেন, অর্ধেক অর্ধেক আসন ভাগ করে দিতে। ইউএনও জামায়াত প্রার্থীকে বলেন, কিছু চেয়ার ছেড়ে দিতে। জামায়াত প্রার্থী মাইকে কর্মীদের আসন ছাড়তে বলেন। তবে সমর্থকরা সামনের সারির অর্ধেক আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে পেছনের কিছু চেয়ার খালি করে দেয়।
এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলেও দুই পক্ষ স্লোগান দেয়। জামায়াতের সমর্থকদের চেয়ার থেকে তুলতে গেলে, হাতাহাতি শুরু হয়।  এ সময়ে চেয়ার ছুঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়। হাতাহাতি হয়। কে আগে শুরু করেছে, কে কম মেরেছে, কে বেশি মেরেছে- এই আলাপে যাচ্ছি না। তবে পুলিশ কিছু না করে চুপ মারামারি চেয়ে চেয়ে দেখে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে দক্ষিণে ঝিনাইগাতী বাজারে অবস্থান নেয়। মাঠে থাকে জামায়াতের প্রার্থী ও সমর্থকরা। এর কিছু সময় পর খবর আসে ‘ফাহমী গোলন্দাজ সোহেল’ নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে, ‘জামায়াতের বাদলকে পেলে জ/বা/ই করা হবে’।