সংবাদ শিরোনামঃ
‘খুনিদের গ্রেফতার করুন’, গাইবান্ধায় রাজপথে শিবির নেতাকর্মীরা টুঙ্গিপাড়ায় ঋণে জর্জরিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারে বুড়া হুজুর (রঃ) জামে মসজিদের খতিবের নেতৃত্ব মাদকবিরোধী গণমিছিল দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা রুবেল সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা চন্দ্রগঞ্জে অবৈধ জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৮ চন্দ্রগঞ্জ আফজাল রোডে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ ও গাড়ি চালক চন্দ্রগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বিধবার জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকি থানায় মামলা চন্দ্রগঞ্জে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গোপালগঞ্জে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা

৩ লক্ষ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে । জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
317

৩ লক্ষাধিক শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে: জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনায় জেলায় ৬ মাস হতে ৫ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮১৭ জন শিশুকে ইতিমধ্যে টিকা দেয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার হার ৫৯%।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে পাবনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ম পর্যায়ে পাবনার ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলা এবং তিনটি পৌরসভার ৮০৮টি টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে। এছাড়া গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরো পাবনা জেলায় ১০৫০টি কেন্দ্রে টিকাদান শুরু হয়েছে। চলবে ১০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিশু পূর্বে হামের টিকা নিয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইনে তাকে টিকা দেওয়া হবে এবং উক্ত টিকাটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ২টি ডোজের মেধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিন ব্যবধান থাকতে হবে। কোনো অসুস্থ্যতা এমনকি হামে আক্রান্ত শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে সুস্থ্য হলে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন আরো জানান, ২০২৪-২৬ সালেও হাম-রুবেলার টিকা দেয়া হয়েছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ছিল। কারণ- বাংলাদেশে প্রতি ৫ বছর পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এই টিকাদান কর্মসূচি আবারও শুরু করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৩ লক্ষ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে । জেলা সিভিল সার্জন

আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
317

৩ লক্ষাধিক শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে: জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনায় জেলায় ৬ মাস হতে ৫ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮১৭ জন শিশুকে ইতিমধ্যে টিকা দেয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার হার ৫৯%।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে পাবনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ম পর্যায়ে পাবনার ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলা এবং তিনটি পৌরসভার ৮০৮টি টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে। এছাড়া গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরো পাবনা জেলায় ১০৫০টি কেন্দ্রে টিকাদান শুরু হয়েছে। চলবে ১০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিশু পূর্বে হামের টিকা নিয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইনে তাকে টিকা দেওয়া হবে এবং উক্ত টিকাটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ২টি ডোজের মেধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিন ব্যবধান থাকতে হবে। কোনো অসুস্থ্যতা এমনকি হামে আক্রান্ত শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে সুস্থ্য হলে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন আরো জানান, ২০২৪-২৬ সালেও হাম-রুবেলার টিকা দেয়া হয়েছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ছিল। কারণ- বাংলাদেশে প্রতি ৫ বছর পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এই টিকাদান কর্মসূচি আবারও শুরু করা হবে।