সংবাদ শিরোনামঃ
৩ লক্ষ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে । জেলা সিভিল সার্জন এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ৫৬ জন অনুপস্থিত অভিভাবক ও শিক্ষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের সকল এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের শুভকামনা ও অভিনন্দন জানালেন কামরুল হাছান টিটু জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন ডা. ফয়েজের সহধর্মিণী মারজিয়া বেগম চন্দ্রগঞ্জে ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য প্রকাশনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পাঁচপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর বালিয়াধরে এক অসহায় বৃদ্ধার হার্টে ছিদ্র: জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার আকুল আবেদন জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ নিউ মার্কেটে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা: বিচার ও অবৈধ দখলমুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন নতুন বাংলা বছরকে বরণ: ‘চন্দ্রগঞ্জ প্রতিদিন’-এর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা

৩ লক্ষ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে । জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৩ লক্ষাধিক শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে: জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনায় জেলায় ৬ মাস হতে ৫ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮১৭ জন শিশুকে ইতিমধ্যে টিকা দেয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার হার ৫৯%।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে পাবনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ম পর্যায়ে পাবনার ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলা এবং তিনটি পৌরসভার ৮০৮টি টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে। এছাড়া গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরো পাবনা জেলায় ১০৫০টি কেন্দ্রে টিকাদান শুরু হয়েছে। চলবে ১০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিশু পূর্বে হামের টিকা নিয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইনে তাকে টিকা দেওয়া হবে এবং উক্ত টিকাটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ২টি ডোজের মেধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিন ব্যবধান থাকতে হবে। কোনো অসুস্থ্যতা এমনকি হামে আক্রান্ত শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে সুস্থ্য হলে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন আরো জানান, ২০২৪-২৬ সালেও হাম-রুবেলার টিকা দেয়া হয়েছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ছিল। কারণ- বাংলাদেশে প্রতি ৫ বছর পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এই টিকাদান কর্মসূচি আবারও শুরু করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৩ লক্ষ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে । জেলা সিভিল সার্জন

আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

৩ লক্ষাধিক শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে: জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনায় জেলায় ৬ মাস হতে ৫ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮১৭ জন শিশুকে ইতিমধ্যে টিকা দেয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার হার ৫৯%।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে পাবনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ম পর্যায়ে পাবনার ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলা এবং তিনটি পৌরসভার ৮০৮টি টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে। এছাড়া গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরো পাবনা জেলায় ১০৫০টি কেন্দ্রে টিকাদান শুরু হয়েছে। চলবে ১০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিশু পূর্বে হামের টিকা নিয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইনে তাকে টিকা দেওয়া হবে এবং উক্ত টিকাটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ২টি ডোজের মেধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিন ব্যবধান থাকতে হবে। কোনো অসুস্থ্যতা এমনকি হামে আক্রান্ত শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে সুস্থ্য হলে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন আরো জানান, ২০২৪-২৬ সালেও হাম-রুবেলার টিকা দেয়া হয়েছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ছিল। কারণ- বাংলাদেশে প্রতি ৫ বছর পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এই টিকাদান কর্মসূচি আবারও শুরু করা হবে।