সংবাদ শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জের আফজাল রোডে RCC ঢালাইয়ে ধীরগতি, তৈরি হয়েছে চরম জনদুর্ভোগ গোপালগঞ্জে ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ মাছ জব্দ,আড়তদারকে জরিমানা আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমের  এমপি জিলানীর নির্দেশে  মুক্তি পেল ৩ শতাধিক পরিবার আর্জেন্টিনার মার্তিনেজ দৃঢ় ভাবে স্পেনের অবিরাম চাপে ও কৃষকের ৪  টি গরু চুরি এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে  সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু হলো লক্ষ্মীপুরের আপন দুই ভাইয়ের নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর -নোয়াখালী মহাসড়কের চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিমবাজারে, তদন্তের দাবি নিজের প্রতিবন্ধী কন্যাকে ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ কোটিপতি বাবার বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী আল আমিন গ্রেফতার

৩ লক্ষ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে । জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
437

৩ লক্ষাধিক শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে: জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনায় জেলায় ৬ মাস হতে ৫ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮১৭ জন শিশুকে ইতিমধ্যে টিকা দেয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার হার ৫৯%।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে পাবনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ম পর্যায়ে পাবনার ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলা এবং তিনটি পৌরসভার ৮০৮টি টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে। এছাড়া গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরো পাবনা জেলায় ১০৫০টি কেন্দ্রে টিকাদান শুরু হয়েছে। চলবে ১০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিশু পূর্বে হামের টিকা নিয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইনে তাকে টিকা দেওয়া হবে এবং উক্ত টিকাটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ২টি ডোজের মেধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিন ব্যবধান থাকতে হবে। কোনো অসুস্থ্যতা এমনকি হামে আক্রান্ত শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে সুস্থ্য হলে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন আরো জানান, ২০২৪-২৬ সালেও হাম-রুবেলার টিকা দেয়া হয়েছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ছিল। কারণ- বাংলাদেশে প্রতি ৫ বছর পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এই টিকাদান কর্মসূচি আবারও শুরু করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৩ লক্ষ শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে । জেলা সিভিল সার্জন

আপডেট সময় : ০৪:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
437

৩ লক্ষাধিক শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে: জেলা সিভিল সার্জন

এমদাদুল হক মীর নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনায় জেলায় ৬ মাস হতে ৫ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮১৭ জন শিশুকে ইতিমধ্যে টিকা দেয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার হার ৫৯%।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে পাবনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১ম পর্যায়ে পাবনার ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলা এবং তিনটি পৌরসভার ৮০৮টি টিকাদান কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে। এছাড়া গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরো পাবনা জেলায় ১০৫০টি কেন্দ্রে টিকাদান শুরু হয়েছে। চলবে ১০ মে পর্যন্ত।

সিভিল সার্জন ডা, আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিশু পূর্বে হামের টিকা নিয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইনে তাকে টিকা দেওয়া হবে এবং উক্ত টিকাটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর ২টি ডোজের মেধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিন ব্যবধান থাকতে হবে। কোনো অসুস্থ্যতা এমনকি হামে আক্রান্ত শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় টিকা দেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে সুস্থ্য হলে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।

সিভিল সার্জন আরো জানান, ২০২৪-২৬ সালেও হাম-রুবেলার টিকা দেয়া হয়েছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ছিল। কারণ- বাংলাদেশে প্রতি ৫ বছর পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এই টিকাদান কর্মসূচি আবারও শুরু করা হবে।