চন্দ্রগঞ্জে সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:৪৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

চন্দ্রগঞ্জে সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ
ফজলে এলাহী :নিজস্ব প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার সামনে নিজ প্রতিষ্ঠানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেনকে হেনস্তা ও মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চন্দ্রগঞ্জ এসএমকে হসপিটালের অ্যাকাউন্টিং ও রিসেপশনে দায়িত্বে থাকা মোঃ মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) আবেদন ফরম প্রিন্ট করাকে কেন্দ্র করে। জানা যায়, মোঃ মেহেদী হাসান চন্দ্রগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত ন্যাশনাল কম্পিউটার নামের প্রতিষ্ঠানে এসে এনআইডি আবেদন ফরমের দুই কপি প্রিন্ট করেন এবং এর জন্য ১০ টাকা পরিশোধ করেন। প্রথম প্রিন্টে ফরমের লেখায় কোনো সমস্যা না থাকলেও নিচের এক কোণে হালকা কালো দাগ থাকায় তিনি পুনরায় প্রিন্ট দেওয়ার অনুরোধ করেন।
পরে দোকানের কর্মচারী নতুন করে দুই কপি ফরম প্রিন্ট করে দেন। এ সময় অতিরিক্ত দুই কপির জন্য আরও ১০ টাকা চাইলে মোঃ মেহেদী হাসান টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। তিনি আগে ১০ টাকা দিয়েছেন, অতিরিক্ত টাকা আর দেবেন না বলে জানান। একপর্যায়ে দোকানের কর্মচারী বিষয়টি আর না বাড়িয়ে টাকা প্রয়োজন নেই বলে তাকে চলে যেতে বলেন।
অভিযোগ রয়েছে, এরপরও তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে বের না হয়ে দোকানের কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করতে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ও জাতীয় দৈনিক আজকের জনবাণী পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন কথা বলতে গেলে মোঃ মেহেদী হাসান তার সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করেন।
এ সময় সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেনকে হেনস্তা করার পাশাপাশি মারধর করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, “সামান্য একটি প্রিন্টের বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার প্রতিষ্ঠানে এসে অশোভন আচরণ করা হয়েছে। আমি বিষয়টি শান্তভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছি।চন্দ্রগঞ্জে সাংবাদিককে হেনস্তা ও মারধরের হুমকির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার সামনে নিজ প্রতিষ্ঠানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেনকে হেনস্তা ও মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চন্দ্রগঞ্জ এসএমকে হসপিটালের অ্যাকাউন্টিং ও রিসেপশনে দায়িত্বে থাকা মোঃ মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) আবেদন ফরম প্রিন্ট করাকে কেন্দ্র করে। জানা যায়, মোঃ মেহেদী হাসান চন্দ্রগঞ্জ থানার সামনে অবস্থিত ন্যাশনাল কম্পিউটার নামের প্রতিষ্ঠানে এসে এনআইডি আবেদন ফরমের দুই কপি প্রিন্ট করেন এবং এর জন্য ১০ টাকা পরিশোধ করেন। প্রথম প্রিন্টে ফরমের লেখায় কোনো সমস্যা না থাকলেও নিচের এক কোণে হালকা কালো দাগ থাকায় তিনি পুনরায় প্রিন্ট দেওয়ার অনুরোধ করেন।
পরে দোকানের কর্মচারী নতুন করে দুই কপি ফরম প্রিন্ট করে দেন। এ সময় অতিরিক্ত দুই কপির জন্য আরও ১০ টাকা চাইলে মোঃ মেহেদী হাসান টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। তিনি আগে ১০ টাকা দিয়েছেন, অতিরিক্ত টাকা আর দেবেন না বলে জানান। একপর্যায়ে দোকানের কর্মচারী বিষয়টি আর না বাড়িয়ে টাকা প্রয়োজন নেই বলে তাকে চলে যেতে বলেন।
অভিযোগ রয়েছে, এরপরও তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে বের না হয়ে দোকানের কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করতে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ও জাতীয় দৈনিক আজকের জনবাণী পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন কথা বলতে গেলে মোঃ মেহেদী হাসান তার সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করেন।
এ সময় সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেনকে হেনস্তা করার পাশাপাশি মারধর করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, “সামান্য একটি প্রিন্টের বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার প্রতিষ্ঠানে এসে অশোভন আচরণ করা হয়েছে। আমি বিষয়টি শান্তভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু একপর্যায়ে আমাকে হেনস্তা ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়।”
ঘটনার বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রবকে অবহিত করেছেন সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ মেহেদীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
স্থানীয়দের মতে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সেবা নেওয়াকে কেন্দ্র করে কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে হুমকি-ধমকি বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কিন্তু একপর্যায়ে আমাকে হেনস্তা ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়।”
ঘটনার বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রবকে অবহিত করেছেন সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ মেহেদীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
স্থানীয়দের মতে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সেবা নেওয়াকে কেন্দ্র করে কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে হুমকি-ধমকি বা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।










