সংবাদ শিরোনামঃ
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী আটক লক্ষ্মীপুরে নকশা পরিবর্তনের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর – চন্দ্রগঞ্জ মহাসড়কের , তদন্ত ও মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি নিখোঁজ শেফালী বেগমকে খুঁজে পেতে সহযোগিতা করুন চন্দ্রগঞ্জে যুব বিভাগের মাদকবিরোধী বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা সম্পন্ন প্রতাপগঞ্জ স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা : মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ‘খুনিদের গ্রেফতার করুন’, গাইবান্ধায় রাজপথে শিবির নেতাকর্মীরা টুঙ্গিপাড়ায় ঋণে জর্জরিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারে বুড়া হুজুর (রঃ) জামে মসজিদের খতিবের নেতৃত্ব মাদকবিরোধী গণমিছিল দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা রুবেল সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

মো: জুবায়ের হোসেন: সহযোগী সম্পাদক।
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৩৮৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
477

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন: সহযোগী সম্পাদক।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ ব্যবসা ঘিরে আবারও সিন্ডিকেটের অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি, বাজারে তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।

তবে সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, এই সিন্ডিকেটের পুরোনো ‘গডফাদার’ এখন পলাতক বা আড়ালে চলে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে বাজারে তরমুজের পাইকারি ও খুচরা বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করতেন একটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী চক্র। অভিযোগ রয়েছে, তারা বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের বাজারে তরমুজ বিক্রি করতে বাধা দিতেন এবং নিজেদের নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য করতেন। এতে করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে তরমুজ বিক্রি করা হতো বলে অভিযোগ।

কিন্তু সম্প্রতি সেই পুরোনো নিয়ন্ত্রক আড়ালে চলে যাওয়ার পর বাজারে নতুন করে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—পুরোনো সিন্ডিকেটের ‘গডফাদার’ না থাকলেও এখন বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? নতুন করে কে হচ্ছেন এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বদানকারী?

অনেক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বাজারে তরমুজের দাম ও সরবরাহ নিয়ে এখনো একটি গোপন সমন্বয় চলছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সচেতন মহল বলছে, বাজারে সিন্ডিকেট সংস্কৃতি বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। নাহলে মৌসুমি ফলের বাজারেও অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে না।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। তাদের দাবি, বাজারে সিন্ডিকেট ভেঙে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
477

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন: সহযোগী সম্পাদক।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ ব্যবসা ঘিরে আবারও সিন্ডিকেটের অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি, বাজারে তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।

তবে সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, এই সিন্ডিকেটের পুরোনো ‘গডফাদার’ এখন পলাতক বা আড়ালে চলে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে বাজারে তরমুজের পাইকারি ও খুচরা বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করতেন একটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী চক্র। অভিযোগ রয়েছে, তারা বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের বাজারে তরমুজ বিক্রি করতে বাধা দিতেন এবং নিজেদের নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য করতেন। এতে করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে তরমুজ বিক্রি করা হতো বলে অভিযোগ।

কিন্তু সম্প্রতি সেই পুরোনো নিয়ন্ত্রক আড়ালে চলে যাওয়ার পর বাজারে নতুন করে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—পুরোনো সিন্ডিকেটের ‘গডফাদার’ না থাকলেও এখন বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? নতুন করে কে হচ্ছেন এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বদানকারী?

অনেক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বাজারে তরমুজের দাম ও সরবরাহ নিয়ে এখনো একটি গোপন সমন্বয় চলছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সচেতন মহল বলছে, বাজারে সিন্ডিকেট সংস্কৃতি বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। নাহলে মৌসুমি ফলের বাজারেও অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে না।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। তাদের দাবি, বাজারে সিন্ডিকেট ভেঙে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।