সংবাদ শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী কারা নির্যাতিত জাকির হোসেন  নাসা এটিকে ‘বিশ্বের জন্য একটি উপহার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ছাত্রদের হেয়ার স্টাইলে নতুন নিয়ম, না মানলে রয়েছে সাজা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুব বিভাগের নতুন নেতৃত্বে: শহীদুল- ফজলে রাব্বি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুব বিভাগে নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সেক্রেটারি ফজলে রাব্বি মাদক ব্যবসায়ীকে ধাওয়া করতে গিয়ে পা ভাঙল নেতার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে চন্দ্রগঞ্জের মানুষ পাম্পে মিলছে না তেল, খুচরা দোকানে লিটার ২৫০-৩০০ টাকা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টহল ব্যবস্থায় ধস, চন্দ্রগঞ্জে অপরাধ দমনে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ? নারী কর্মী গ্রেফতারে দেশজুড়ে প্রশ্ন

পাম্পে মিলছে না তেল, খুচরা দোকানে লিটার ২৫০-৩০০ টাকা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মো: ইয়াছিন আরাফাত সবুজ
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাম্পে মিলছে না তেল, খুচরা দোকানে লিটার ২৫০-৩০০ টাকা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

ইয়াছিন আরাফাত সবুজ: নিজস্ব প্রতিবেদক

তীব্র জ্বালানি সংকটে নাকাল হয়ে পড়েছে সারাদেশ-এর সাধারণ মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

পাম্পগুলোতে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনের মালিকরা।

পাম্পে তেল না থাকলেও ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে এলাকার অলিগলির খুচরা দোকানগুলোতে। অভিযোগ উঠেছে, পাম্প থেকে তেল সরিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তা খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

বর্তমানে সব এলাকায় প্রতি লিটার অকটেন বা পেট্রোল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ভোগান্তির চরম সীমায় সাধারণ মানুষ

সরেজমিনে দেখা যায়, পাম্পগুলোতে শত শত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি। বাধ্য হয়ে অনেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে খুচরা দোকান থেকে তেল কিনছেন।

এক মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পাম্পে গেলে বলে তেল নেই, অথচ পাশের দোকানেই ড্রাম ড্রাম তেল বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। এটা পুরোপুরি ডাকাতি ছাড়া আর কিছু নয়।”

 

সিন্ডিকেটের কারসাজি?

সচেতন মহলের মতে, স্থানীয় একটি অসাধু সিন্ডিকেট পাম্প মালিকদের যোগসাজশে রাতের আঁধারে তেল সরিয়ে মজুত করছে।

পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সরকারি দাম নির্ধারিত থাকলেও খুচরা বিক্রেতারা কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছে না।

এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির ফলে যাতায়াত খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনি থমকে গেছে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

এই অরাজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা এবং পাম্পগুলোতে তেলের সঠিক সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাম্পে মিলছে না তেল, খুচরা দোকানে লিটার ২৫০-৩০০ টাকা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় : ১২:১৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

পাম্পে মিলছে না তেল, খুচরা দোকানে লিটার ২৫০-৩০০ টাকা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

ইয়াছিন আরাফাত সবুজ: নিজস্ব প্রতিবেদক

তীব্র জ্বালানি সংকটে নাকাল হয়ে পড়েছে সারাদেশ-এর সাধারণ মানুষ। গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

পাম্পগুলোতে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনের মালিকরা।

পাম্পে তেল না থাকলেও ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে এলাকার অলিগলির খুচরা দোকানগুলোতে। অভিযোগ উঠেছে, পাম্প থেকে তেল সরিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তা খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

বর্তমানে সব এলাকায় প্রতি লিটার অকটেন বা পেট্রোল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ভোগান্তির চরম সীমায় সাধারণ মানুষ

সরেজমিনে দেখা যায়, পাম্পগুলোতে শত শত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি। বাধ্য হয়ে অনেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে খুচরা দোকান থেকে তেল কিনছেন।

এক মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পাম্পে গেলে বলে তেল নেই, অথচ পাশের দোকানেই ড্রাম ড্রাম তেল বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। এটা পুরোপুরি ডাকাতি ছাড়া আর কিছু নয়।”

 

সিন্ডিকেটের কারসাজি?

সচেতন মহলের মতে, স্থানীয় একটি অসাধু সিন্ডিকেট পাম্প মালিকদের যোগসাজশে রাতের আঁধারে তেল সরিয়ে মজুত করছে।

পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সরকারি দাম নির্ধারিত থাকলেও খুচরা বিক্রেতারা কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছে না।

এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির ফলে যাতায়াত খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনি থমকে গেছে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

এই অরাজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা এবং পাম্পগুলোতে তেলের সঠিক সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।