চন্দ্রগঞ্জকে নতুন উপজেলা ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ
- আপডেট সময় : ০৭:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

চন্দ্রগঞ্জকে নতুন উপজেলা ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ
মোঃ হাবিবুর রহমান, সহ-বার্তা সম্পাদক
লক্ষ্মীপুর জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হলো। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘চন্দ্রগঞ্জ’ নামে নতুন একটি উপজেলার অনুমোদন দিয়ে সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২০তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই নতুন উপজেলা গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার-১ শাখা থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেছেন অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয়) মোহাম্মদ খালেদ হাসান।
৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হলো চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা।।।
নতুন এই উপজেলায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ৯টি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইউনিয়নগুলো হলো:
১. বশিকপুর
২. দত্তপাড়া
৩. উত্তর জয়পুর
৪. চন্দ্রগঞ্জ
৫. হাজিরপাড়া
৬. চরশাহী
৭. দিঘলী
৮. মান্দারী
৯. কুশাখালী
সদর দফতর ও সীমানা নির্ধারণ
গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, নবগঠিত ‘চন্দ্রগঞ্জ’ উপজেলার প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র বা সদর দফতর স্থাপিত হবে চন্দ্রগঞ্জ ১২১ নং মটবী মৌজা ও ১৫৬ নং চরচামিতা মৌজায়।
নতুন অফিসের সেট-আপ ও জনবল কাঠামো
নতুন উপজেলাটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ২৪টি সরকারি দপ্তরের সেট-আপ অনুমোদন করা হয়েছে। এই দপ্তরগুলোতে মোট ২৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ সৃষ্টি করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪০ জন কর্মকর্তা এবং ১৯৮ জন কর্মচারী থাকবেন।
গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোর জনবল কাঠামো নিচে দেওয়া হলো:
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়: মোট পদ ১৬টি (কর্মকর্তা ১, কর্মচারী ১৫)
থানা (পুলিশ স্টেশন): মোট পদ ২৬টি (কর্মকর্তা ১, কর্মচারী ২৫)
উপজেলা ভূমি অফিস: মোট পদ ১২টি (কর্মকর্তা ১, কর্মচারী ১১)
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিস (হাসপাতালসহ): এখানে সর্বোচ্চ ৪৭টি পদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে (কর্মকর্তা ১০, কর্মচারী ৩৭)।
উপজেলা কৃষি অফিস: মোট পদ ২৭টি (কর্মকর্তা ৩, কর্মচারী ২৪)
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের এই সিদ্ধান্তের আলোকে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নতুন এই উপজেলা গঠনের ফলে এই অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক সেবা প্রাপ্তি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

















