নতুন বছরে একজন মুসলমানের কি কি করণীয় ও বর্জনীয়
- আপডেট সময় : ০১:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬ ২০০ বার পড়া হয়েছে

মাওলানা ইমরান হোসেন রাকিব, বিশেষ প্রতিনিধি
নতুন বছর বা ইংরেজি নববর্ষ ধর্মীয় দিক থেকে কোনো বিশেষ গুরুত্ব বহন করে না। তবে যেহেতু ইংরেজি বছর দিয়ে এদেশে হিসাবনিকাশ চলে তাই বছর শেষ হলে একজন মুসলিমের জীবনেও প্রভাব পড়ে। বছর শেষে অনেকে নতুন বছর শুরু করার সংকল্প করতে পারে এবং জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারার ইচ্ছা পোষণ করতে পারে।
একজন মুমিনের জন্য নতুন বছর মানে শুধু ক্যালেন্ডার পরিবর্তন নয়, বরং নিজের ইবাদত, আখলাক ও জীবনধারার দিকে সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে লক্ষ্য রাখার সময়। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা এবং এর মধ্যে সব বিষয়কেই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এমনকি সময়ের মূল্যও ইসলামে বিশেষভাবে উল্লিখিত। তাই নতুন বছরে একজন মুমিনের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আল্লাহর প্রতি তওবা ও ক্ষমা চাওয়া
নিজেকে বদলানোর সংকল্প নেয়া
ঈমান ও ইবাদত বৃদ্ধি করা
নিজের সময়ের মূল্য দেয়া
পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন
নতুন বছরে একজন মুমিনের বর্জনীয় (ধর্ম)
অশ্লীলতা ও অবাধ আনন্দ
নতুন বছর উপলক্ষে অনেকেই পার্টি ও মাদকাসক্তির দিকে চলে যায়, যা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অবাধ আনন্দ ও অশ্লীলতা একেবারেই মুমিনের জীবনধারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার ঈমানের ভিত্তিতে কাজ করে, সে তার জীবনকে পরিপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ করে তোলে।’ (তিরমিজি)
নতুন বছর উদ্যাপনকে ধর্মীয় উৎসব হিসেবে গ্রহণ করাইসলামে আমাদের কোন নববর্ষ বা নতুন বছরের উৎসব উদ্যাপন করার নির্দেশনা নেই। এমনকি, নবী (সা.) বা সাহাবিরা কখনোই ইংরেজি নববর্ষ উদ্যাপন করেননি। যদি আমরা এটি কোনো ধর্মীয় উৎসব হিসেবে গ্রহণ করি, তাহলে সেটা শিরক হতে পারে, যেহেতু আমরা কোনো নতুন বছরে কেবল উদ্যাপনের জন্য বিশেষ দিন পালন করি যা ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে অবৈধ।
অপচয় বা দান খয়রাতের অবহেলাঅনেক সময় নতুন বছরে বিভিন্ন বিলাসিতা বা অপ্রয়োজনীয় খরচ হতে পারে। এটি ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে অপচয়, যা ইসলামে হারাম (নিষিদ্ধ)। সুরা বনি ইসরাইলের ২৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি তার সম্পদ অপচয় করে, সে শয়তানের ভাই।’







