এতিম শিশু সানজিদা কে ধর্ষণের পর হত্যা করে টয়লেটের টাংকিতে ফেলে দেয়
- আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

এতিম শিশু সানজিদাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে টয়লেটের টাংকিতে ফেলে দেয়
মীর মোঃ মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা রামচন্দ্রকুড়া গ্রামে নিখোঁজের একদিন পর ১১ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় অভিযুক্ত যুবকের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তার বাড়ির টয়লেট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশুর নাম সানজিদা আক্তার। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ টয়লেটে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছে। তবে তার বাবা চাঁন মিয়া, মা তহুরন নেছা ও বোন রাবিয়াকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বাবা-মা হারানো সানজিদা ছোটবেলা থেকেই তার নানী চাঁন ভানুর কাছে লালিত-পালিত হয়ে আসছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবেশী চাঁন মিয়া পাগলার বাড়িতে খেলতে যায় সে। সন্ধ্যার পর বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা রাতভর ও শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন।
একপর্যায়ে স্বজনরা অভিযুক্ত বিল্লালের মা তহুরন নেছাকে চাপ দিলে তিনি পলাতক ছেলে বিল্লাল হোসেনের মোবাইল নম্বর দেন। পরে ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে বিল্লাল সানজিদাকে হত্যা করে নিজেদের টয়লেটে মরদেহ লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করেন স্বজনরা।
এরপর বাড়ির টয়লেটে তল্লাশি চালিয়ে সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এর নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আটক ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
বাংলাদেশ পুলিশ নালিতাবাড়ী থানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মীর মোঃ মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি


















