সংবাদ শিরোনামঃ
বর্তমান সরকারও আগের সরকারের পথেই হাঁটছে: গাজীপুরে ডা. শফিকুর রহমান টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১১ ইউনিট চন্দ্রগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলার এগারো দিন পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই মামলা, ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় ৩নং আসামির জামিন নামঞ্জুর,কারাগারে প্রেরণ মান্দারীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃ/ত্যু, দাফনের  আগে স্বামী উধাও, স্বজনদের দাবী এটি হ/ত্যা  চন্দ্রগঞ্জে সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন, অভিযুক্ত আটক মা ও ভাতিজিকে জবাই করে হত্যা, যুবক আটক পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার স্বজনের আহাজারিতে আকাশ ভারি! বিএনপি নেতার গোয়াল ঘরে চোরাই গরু দল থেকে শোকজ

মিথ্যা মামলায় স্বেচ্ছায় কারাবরণ, মুক্তি পেলেন চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান মল্লিক

ফজলে এলাহী : নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ২০৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিথ্যা মামলায় স্বেচ্ছায় কারাবরণ, মুক্তি পেলেন চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান মল্লিক

ফজলে এলাহী :নিজস্ব প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামি হয়ে স্বেচ্ছায় কারাবরণ করা চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান মল্লিক অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। তাঁর মুক্তির খবরে স্থানীয় সাংবাদিক মহল, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লতিফপুর গ্রামের বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান মল্লিককে আসামি করা হয়। মামলাটিকে তিনি শুরু থেকেই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করে আসছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা রেখে এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় আদালতের মাধ্যমে কারাবরণ করেন।

সাংবাদিক মিজানুর রহমান মল্লিকের সহকর্মীরা বলেন, একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যার মতো গুরুতর মামলায় অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের। তারা মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান, যাতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হয় এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।

স্থানীয়দের মতে, একটি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে মামলায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের পরিবর্তে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

মিজানুর রহমান মল্লিকের মুক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও জহিরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এখনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত, আর কারা নির্দোষ—নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।

  1. সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিথ্যা মামলায় কাউকে হয়রানি নয়, আবার প্রকৃত অপরাধীও যেন আইনের আওতার বাইরে না থাকে—এটাই হওয়া উচিত তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মিথ্যা মামলায় স্বেচ্ছায় কারাবরণ, মুক্তি পেলেন চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান মল্লিক

আপডেট সময় : ০১:১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মিথ্যা মামলায় স্বেচ্ছায় কারাবরণ, মুক্তি পেলেন চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান মল্লিক

ফজলে এলাহী :নিজস্ব প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামি হয়ে স্বেচ্ছায় কারাবরণ করা চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান মল্লিক অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। তাঁর মুক্তির খবরে স্থানীয় সাংবাদিক মহল, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, লতিফপুর গ্রামের বিএনপি নেতা জহিরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান মল্লিককে আসামি করা হয়। মামলাটিকে তিনি শুরু থেকেই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করে আসছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা রেখে এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় আদালতের মাধ্যমে কারাবরণ করেন।

সাংবাদিক মিজানুর রহমান মল্লিকের সহকর্মীরা বলেন, একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যার মতো গুরুতর মামলায় অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের। তারা মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান, যাতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হয় এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।

স্থানীয়দের মতে, একটি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে মামলায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের পরিবর্তে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

মিজানুর রহমান মল্লিকের মুক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও জহিরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এখনো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত, আর কারা নির্দোষ—নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।

  1. সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিথ্যা মামলায় কাউকে হয়রানি নয়, আবার প্রকৃত অপরাধীও যেন আইনের আওতার বাইরে না থাকে—এটাই হওয়া উচিত তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য।