সংবাদ শিরোনামঃ
বর্তমান সরকারও আগের সরকারের পথেই হাঁটছে: গাজীপুরে ডা. শফিকুর রহমান টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১১ ইউনিট চন্দ্রগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলার এগারো দিন পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই মামলা, ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলায় ৩নং আসামির জামিন নামঞ্জুর,কারাগারে প্রেরণ মান্দারীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃ/ত্যু, দাফনের  আগে স্বামী উধাও, স্বজনদের দাবী এটি হ/ত্যা  চন্দ্রগঞ্জে সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকির অভিযোগ জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন, অভিযুক্ত আটক মা ও ভাতিজিকে জবাই করে হত্যা, যুবক আটক পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার স্বজনের আহাজারিতে আকাশ ভারি! বিএনপি নেতার গোয়াল ঘরে চোরাই গরু দল থেকে শোকজ

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

হাবিবুর রহমান মোল্লা :নিজস্ব প্রতিবেদক, চন্দ্রগঞ্জ |
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

হাবিবুর রহমান মোল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চন্দ্রগঞ্জ |

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি ও রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক জাহাঙ্গীর আলম।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম ১৯৯৮ সাল থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজপথে সক্রিয় হন। বিগত দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
রাজনীতির এই দীর্ঘ পথচলায় তাকে বারবার জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের সম্মুখীন হন এবং এক পর্যায়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বর্তমানে পঙ্গুত্বের বোঝা বয়ে বেড়ালেও দলের প্রতি তার আনুগত্য ও ভালোবাসা বিন্দুমাত্র কমেনি।

পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘কোয়ার বাড়ি’র সন্তান জাহাঙ্গীর আলম। তার বাবার নাম ফজর আলী। স্থানীয় পর্যায়ে একনিষ্ঠ ও বিনয়ী কর্মী হিসেবে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।

ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সাধারণ কর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী জানান, যারা দলের জন্য রক্ত দিয়েছেন, নির্যাতিত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদেরই আগামী দিনের নেতৃত্বে আনা উচিত। জাহাঙ্গীর আলমের মতো ত্যাগী নেতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমি পদের জন্য রাজনীতি করিনি, শহীদ জিয়ার আদর্শকে ভালোবেসে রাজপথে ছিলাম। দলের দুঃসময়ে নিযাতিত হয়ে আজ আমি পঙ্গু, তবুও দলের প্রশ্নে আমি আপসহীন। দল যদি আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করে আমাকে দায়িত্ব দেয়, তবে সাধারণ কর্মীদের সাথে নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলকে একটি শক্তিশালী ইউনিটে রূপান্তর করব।”
আসন্ন কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্ব আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

আপডেট সময় : ১০:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

হাবিবুর রহমান মোল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চন্দ্রগঞ্জ |

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি ও রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক জাহাঙ্গীর আলম।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম ১৯৯৮ সাল থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজপথে সক্রিয় হন। বিগত দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
রাজনীতির এই দীর্ঘ পথচলায় তাকে বারবার জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের সম্মুখীন হন এবং এক পর্যায়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বর্তমানে পঙ্গুত্বের বোঝা বয়ে বেড়ালেও দলের প্রতি তার আনুগত্য ও ভালোবাসা বিন্দুমাত্র কমেনি।

পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘কোয়ার বাড়ি’র সন্তান জাহাঙ্গীর আলম। তার বাবার নাম ফজর আলী। স্থানীয় পর্যায়ে একনিষ্ঠ ও বিনয়ী কর্মী হিসেবে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।

ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সাধারণ কর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী জানান, যারা দলের জন্য রক্ত দিয়েছেন, নির্যাতিত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদেরই আগামী দিনের নেতৃত্বে আনা উচিত। জাহাঙ্গীর আলমের মতো ত্যাগী নেতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমি পদের জন্য রাজনীতি করিনি, শহীদ জিয়ার আদর্শকে ভালোবেসে রাজপথে ছিলাম। দলের দুঃসময়ে নিযাতিত হয়ে আজ আমি পঙ্গু, তবুও দলের প্রশ্নে আমি আপসহীন। দল যদি আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করে আমাকে দায়িত্ব দেয়, তবে সাধারণ কর্মীদের সাথে নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলকে একটি শক্তিশালী ইউনিটে রূপান্তর করব।”
আসন্ন কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্ব আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।