চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে চন্দ্রগঞ্জবাসী
- আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে চন্দ্রগঞ্জবাসী
মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা : সহ-বার্তা সম্পাদক ।
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক ভবন (উপজেলা ভবন) কোনো দূরবর্তী এলাকায় নয়, বরং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকাতেই স্থাপন করার দাবিতে আগামী ২৩ মে, ২০২৬ইং (শনিবার) এক বিশাল মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে। চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ওই দিন সকাল ১০ ঘটিকায় স্থানীয় চন্দ্রগঞ্জ বাজারে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
ইতোমধ্যেই এই মানববন্ধনকে সফল করতে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ও এর আশপাশের এলাকায় ও সামাজিক যোগাযোগে ব্যাপক গণসংযোগ, শুরু হয়েছে।
আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলা ঘোষণা করায় এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তবে সম্প্রতি উপজেলা ভবনের স্থান নির্ধারণ নিয়ে একধরণের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
বক্তাদের দাবি, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন হচ্ছে এই অঞ্চলের মূল প্রাণকেন্দ্র ও যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকায় সরকারি খাস জমিসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে, যা একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা কমপ্লেক্সের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। এই ইউনিয়নটি উপজেলার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হওয়ায় সর্বসাধারণের প্রশাসনিক কাজের জন্য যাতায়াত খরচ ও সময় দুটোই অনেক বেঁচে যাবে। চন্দ্রগঞ্জ বাজার এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখানে উপজেলা ভবন হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত সকল ইউনিয়নের ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, শিক্ষক, ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের জনগণকে দলমত নির্বিশেষে এই মানববন্ধনে দলে দলে যোগ দেওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।
আয়োজক কমিটির একজন সদস্য বলেন, “এটি আমাদের অধিকার ও অস্তিত্বের লড়াই। চন্দ্রগঞ্জের নামেই উপজেলা, অথচ ভবন যদি অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার চক্রান্ত করা হয়, তবে সাধারণ জনগণ তা মেনে নেবে না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছে দিতে চাই। তাই ২৩ মে শনিবার সকাল ১০টায় চন্দ্রগঞ্জ বাজারে সবাইকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
শনিবারের এই মানববন্ধন থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করা হবে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, জনস্বার্থ ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকাতেই স্থায়ী উপজেলা ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।



















