সংবাদ শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জে অবৈধ জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৮ চন্দ্রগঞ্জ আফজাল রোডে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ ও গাড়ি চালক চন্দ্রগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বিধবার জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকি থানায় মামলা চন্দ্রগঞ্জে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গোপালগঞ্জে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা কান্নার কারণে দুই মাসের শিশুকে মেরে ফেললেন পাষন্ড বাবা চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির হরিলুট ও অব্যবস্থাপনায় পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কর্মবিরতি গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ চন্দ্রগঞ্জ সাব- রেজিষ্ট্রি অফিসে “অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৬” অনুষ্ঠিত মৌসুম শুরুর আগেই সারাদেশে ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করেছে 

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

মো: নজরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৩২৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
482

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

মো: নজরুল ইসলাম : স্টাফ রিপোর্টার

যা ঘটেছিল শেরপুরে
স্থানীয় সহকর্মী সাংবাদিকদের তথ্য, প্রত্যক্ষ্যদর্শীর বর্ণনা এবং ভিডিও অনুযায়ী, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে মাথায় এবং কানের নীচে কো/পে হ/ত্যা করেছে বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা।

কী কারণে এই নৃশংস হ/ত্যা তা জানলে, অবাক হবেন। ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানের সামনের সারির চেয়ারে বসার মত তুচ্ছ কারণে ঘটনার সূত্রপাত। ঝিনাইগাতী স্টেডিয়ামে সব প্রার্থীর ইশেতহার প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল সহকারী রিটার্নিং তথা ইউএনওর আয়োজনে। ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা মিলে শেরপুর-৩ আসন।

বেলা আড়াইটার অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রার্থীর সমথর্করা আগে দিয়ে সামনে চেয়ারে বসেন। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল পার্শ্ববর্তী উপজেলা শ্রীবরদী নির্বাচনের প্রচারে থাকায় তাঁর আসতে বিলম্ব হয়। তাই তাঁর সমর্থক কর্মীরাও  বিলম্বে আসেন। ততক্ষণে অনুষ্ঠানস্থলের সামনে ৫০০ আসনের অধিকাংশ জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের কর্মী সমর্থকরা বসে পড়েন।

তখন বিএনপি নেতারা ইউএনওকে বলেন, অর্ধেক অর্ধেক আসন ভাগ করে দিতে। ইউএনও জামায়াত প্রার্থীকে বলেন, কিছু চেয়ার ছেড়ে দিতে। জামায়াত প্রার্থী মাইকে কর্মীদের আসন ছাড়তে বলেন। তবে সমর্থকরা সামনের সারির অর্ধেক আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে পেছনের কিছু চেয়ার খালি করে দেয়।
এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলেও দুই পক্ষ স্লোগান দেয়। জামায়াতের সমর্থকদের চেয়ার থেকে তুলতে গেলে, হাতাহাতি শুরু হয়।  এ সময়ে চেয়ার ছুঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়। হাতাহাতি হয়। কে আগে শুরু করেছে, কে কম মেরেছে, কে বেশি মেরেছে- এই আলাপে যাচ্ছি না। তবে পুলিশ কিছু না করে চুপ মারামারি চেয়ে চেয়ে দেখে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে দক্ষিণে ঝিনাইগাতী বাজারে অবস্থান নেয়। মাঠে থাকে জামায়াতের প্রার্থী ও সমর্থকরা। এর কিছু সময় পর খবর আসে ‘ফাহমী গোলন্দাজ সোহেল’ নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে, ‘জামায়াতের বাদলকে পেলে জ/বা/ই করা হবে’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
482

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপির হামলায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী নিহত

মো: নজরুল ইসলাম : স্টাফ রিপোর্টার

যা ঘটেছিল শেরপুরে
স্থানীয় সহকর্মী সাংবাদিকদের তথ্য, প্রত্যক্ষ্যদর্শীর বর্ণনা এবং ভিডিও অনুযায়ী, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে মাথায় এবং কানের নীচে কো/পে হ/ত্যা করেছে বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা।

কী কারণে এই নৃশংস হ/ত্যা তা জানলে, অবাক হবেন। ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানের সামনের সারির চেয়ারে বসার মত তুচ্ছ কারণে ঘটনার সূত্রপাত। ঝিনাইগাতী স্টেডিয়ামে সব প্রার্থীর ইশেতহার প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল সহকারী রিটার্নিং তথা ইউএনওর আয়োজনে। ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা মিলে শেরপুর-৩ আসন।

বেলা আড়াইটার অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রার্থীর সমথর্করা আগে দিয়ে সামনে চেয়ারে বসেন। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল পার্শ্ববর্তী উপজেলা শ্রীবরদী নির্বাচনের প্রচারে থাকায় তাঁর আসতে বিলম্ব হয়। তাই তাঁর সমর্থক কর্মীরাও  বিলম্বে আসেন। ততক্ষণে অনুষ্ঠানস্থলের সামনে ৫০০ আসনের অধিকাংশ জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের কর্মী সমর্থকরা বসে পড়েন।

তখন বিএনপি নেতারা ইউএনওকে বলেন, অর্ধেক অর্ধেক আসন ভাগ করে দিতে। ইউএনও জামায়াত প্রার্থীকে বলেন, কিছু চেয়ার ছেড়ে দিতে। জামায়াত প্রার্থী মাইকে কর্মীদের আসন ছাড়তে বলেন। তবে সমর্থকরা সামনের সারির অর্ধেক আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে পেছনের কিছু চেয়ার খালি করে দেয়।
এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলেও দুই পক্ষ স্লোগান দেয়। জামায়াতের সমর্থকদের চেয়ার থেকে তুলতে গেলে, হাতাহাতি শুরু হয়।  এ সময়ে চেয়ার ছুঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়। হাতাহাতি হয়। কে আগে শুরু করেছে, কে কম মেরেছে, কে বেশি মেরেছে- এই আলাপে যাচ্ছি না। তবে পুলিশ কিছু না করে চুপ মারামারি চেয়ে চেয়ে দেখে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে দক্ষিণে ঝিনাইগাতী বাজারে অবস্থান নেয়। মাঠে থাকে জামায়াতের প্রার্থী ও সমর্থকরা। এর কিছু সময় পর খবর আসে ‘ফাহমী গোলন্দাজ সোহেল’ নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে, ‘জামায়াতের বাদলকে পেলে জ/বা/ই করা হবে’।