প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ করল ৬০ বছরের আপন চাচা
- আপডেট সময় : ০৯:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ করল ৬০ বছরের আপন চাচা
মীর মোঃ মনির হোসেন নিজস্ব প্রতিনিধি
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে (৩৫) ধর্ষণের অভিযোগে তার বড় আপন চাচাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় রোববার (তারিখ) দুপুরে ভুক্তভোগীর ভাবি সুমাইয়া বিবি বাদী হয়ে তানোর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের আড়াদিঘী গ্রামের মৃত খুশবোরের ছেলে মকবুল হোসেন (৬০) এর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত মকবুল তিন সন্তানের জনক এবং ভুক্তভোগীর বড় চাচা।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ দিন আগে চিকিৎসার কথা বলে ভুক্তভোগীকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে আড়াদিঘী গ্রামে নিয়ে আসেন বড় চাচি ও চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী। এরপর গত বুধবার রাতে বাড়িতে একা থাকার সুযোগে অভিযুক্ত মকবুল হোসেন তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
মামলার বাদী সুমাইয়া বিবি জানান, ঘটনার পরদিন ভোরে তিনি ভুক্তভোগীর ঘরে গিয়ে তাকে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে পান। পরে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বড় চাচা তাকে ধর্ষণ করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের কয়েকজন সদস্য অভিযোগটি অস্বীকার করে তাকে স্বামীর বাড়িতে পৌঁছে দেন।
ভুক্তভোগীর স্বামী শরিফুল ইসলাম বলেন, “বাড়িতে ফেরার পর থেকেই সে কান্নাকাটি করছিল। পরে শনিবার সকালে আমাকে পুরো ঘটনাটি জানায়। চিকিৎসার কথা বলে নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
ভুক্তভোগীর সৎ ভাই মানিক হাসান অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলেও তার কোনো চিকিৎসা করা হয়নি। বরং সুযোগ বুঝে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর থানায় ধর্ষণ মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার নির্দেশনায় এসআই মাসুদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।










