সংবাদ শিরোনামঃ
দেখতে অবিকল কলম, ভেতরে কালি নেই, আছে শুধু গু*লি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে চন্দ্রগঞ্জের মানুষ পাম্পে মিলছে না তেল, খুচরা দোকানে লিটার ২৫০-৩০০ টাকা! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা টহল ব্যবস্থায় ধস, চন্দ্রগঞ্জে অপরাধ দমনে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ? নারী কর্মী গ্রেফতারে দেশজুড়ে প্রশ্ন অনলাইন ক্লাসে যাচ্ছে না সরকার: ববি হাজ্জাজ লক্ষ্মীপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে প্রায় ৪০ জন সবুজ বাংলা ব্লাড ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের মায়ের ইন্তেকাল চন্দ্রগঞ্জ বাজার ইজারায় নেই জামায়াতে ইসলামী: নেপথ্যে কী হিসাব-নিকাশ? মৌলভীবাজার সদরে বিএনপি নেতার মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

মো: জুবায়ের হোসেন: সহযোগী সম্পাদক।
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ২০০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
234

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন: সহযোগী সম্পাদক।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ ব্যবসা ঘিরে আবারও সিন্ডিকেটের অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি, বাজারে তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।

তবে সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, এই সিন্ডিকেটের পুরোনো ‘গডফাদার’ এখন পলাতক বা আড়ালে চলে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে বাজারে তরমুজের পাইকারি ও খুচরা বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করতেন একটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী চক্র। অভিযোগ রয়েছে, তারা বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের বাজারে তরমুজ বিক্রি করতে বাধা দিতেন এবং নিজেদের নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য করতেন। এতে করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে তরমুজ বিক্রি করা হতো বলে অভিযোগ।

কিন্তু সম্প্রতি সেই পুরোনো নিয়ন্ত্রক আড়ালে চলে যাওয়ার পর বাজারে নতুন করে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—পুরোনো সিন্ডিকেটের ‘গডফাদার’ না থাকলেও এখন বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? নতুন করে কে হচ্ছেন এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বদানকারী?

অনেক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বাজারে তরমুজের দাম ও সরবরাহ নিয়ে এখনো একটি গোপন সমন্বয় চলছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সচেতন মহল বলছে, বাজারে সিন্ডিকেট সংস্কৃতি বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। নাহলে মৌসুমি ফলের বাজারেও অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে না।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। তাদের দাবি, বাজারে সিন্ডিকেট ভেঙে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
234

চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ সিন্ডিকেট: পুরাতন ‘গডফাদার’ পলাতক, নতুন গডফাদার কে?

মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন: সহযোগী সম্পাদক।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ বাজারে তরমুজ ব্যবসা ঘিরে আবারও সিন্ডিকেটের অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের দাবি, বাজারে তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।

তবে সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, এই সিন্ডিকেটের পুরোনো ‘গডফাদার’ এখন পলাতক বা আড়ালে চলে গেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে বাজারে তরমুজের পাইকারি ও খুচরা বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করতেন একটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী চক্র। অভিযোগ রয়েছে, তারা বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীদের বাজারে তরমুজ বিক্রি করতে বাধা দিতেন এবং নিজেদের নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য করতেন। এতে করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে তরমুজ বিক্রি করা হতো বলে অভিযোগ।

কিন্তু সম্প্রতি সেই পুরোনো নিয়ন্ত্রক আড়ালে চলে যাওয়ার পর বাজারে নতুন করে আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—পুরোনো সিন্ডিকেটের ‘গডফাদার’ না থাকলেও এখন বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? নতুন করে কে হচ্ছেন এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বদানকারী?

অনেক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বাজারে তরমুজের দাম ও সরবরাহ নিয়ে এখনো একটি গোপন সমন্বয় চলছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সচেতন মহল বলছে, বাজারে সিন্ডিকেট সংস্কৃতি বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। নাহলে মৌসুমি ফলের বাজারেও অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে না।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। তাদের দাবি, বাজারে সিন্ডিকেট ভেঙে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।