সংবাদ শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জে অবৈধ জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৮ চন্দ্রগঞ্জ আফজাল রোডে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ ও গাড়ি চালক চন্দ্রগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বিধবার জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকি থানায় মামলা চন্দ্রগঞ্জে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গোপালগঞ্জে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা কান্নার কারণে দুই মাসের শিশুকে মেরে ফেললেন পাষন্ড বাবা চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির হরিলুট ও অব্যবস্থাপনায় পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কর্মবিরতি গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ চন্দ্রগঞ্জ সাব- রেজিষ্ট্রি অফিসে “অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৬” অনুষ্ঠিত মৌসুম শুরুর আগেই সারাদেশে ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করেছে 

শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা, সহ- বার্তা সম্পাদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
320

 শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম।

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা,  সহ-বার্তা সম্পাদক

লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পারিবারিক আর্থিক অবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। কলেজের মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য শিক্ষাবিষয়ক ব্যয় বহন করা অনেক পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ফলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম চাকরি করতে বাধ্য হয়। এর কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না, যা শিক্ষার মান ও ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দিন দিন কলেজের একাডেমিক পরিবেশ ও ফলাফলের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো: আইউব হোসেন ফাহিম কলেজটি জাতীয়করণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কলেজটি জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ অনেকাংশে কমবে, তারা নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং শিক্ষার সামগ্রিক মান আরও উন্নত হবে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

 

এছাড়াও চন্দ্রগঞ্জকে সরকারিভাবে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণত একটি উপজেলার আওতাধীন একটি সরকারি কলেজ বা জাতীয়কৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উপজেলার অন্যান্য কলেজের তুলনায় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শিক্ষার মান, অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক থেকে অনেক বেশি অগ্রসর। তাই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা— কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে দ্রুত জাতীয়করণ করা হবে এবং এটিকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম

আপডেট সময় : ০৮:১৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
320

 শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম।

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা,  সহ-বার্তা সম্পাদক

লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পারিবারিক আর্থিক অবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। কলেজের মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য শিক্ষাবিষয়ক ব্যয় বহন করা অনেক পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ফলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম চাকরি করতে বাধ্য হয়। এর কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না, যা শিক্ষার মান ও ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দিন দিন কলেজের একাডেমিক পরিবেশ ও ফলাফলের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো: আইউব হোসেন ফাহিম কলেজটি জাতীয়করণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কলেজটি জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ অনেকাংশে কমবে, তারা নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং শিক্ষার সামগ্রিক মান আরও উন্নত হবে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

 

এছাড়াও চন্দ্রগঞ্জকে সরকারিভাবে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণত একটি উপজেলার আওতাধীন একটি সরকারি কলেজ বা জাতীয়কৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উপজেলার অন্যান্য কলেজের তুলনায় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শিক্ষার মান, অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক থেকে অনেক বেশি অগ্রসর। তাই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা— কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে দ্রুত জাতীয়করণ করা হবে এবং এটিকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।