সংবাদ শিরোনামঃ
স্টারলাইন বাসের বেপরোয়া গতি ও গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে, শিশু পড়ে যাওয়ার অভিযোগ, চালকের আচরণে ক্ষুব্ধ যাত্রীগন বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০ চন্দ্রগঞ্জে সিএনজি-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ আহত ৪, শিক্ষার্থীকে ঢাকায় প্রেরণ ব্যতিক্রম ফ্যাশন’ শোরুম এখন চন্দ্রগঞ্জে : ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উদ্বোধন, বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দিচ্ছে ৫০% পর্যন্ত চন্দ্রগঞ্জে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথ সভা অনুষ্ঠিত  মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে চন্দ্রগঞ্জে গ্রেফতার ৭ লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক ফটিকছড়িতে পুকুরে ডুবে দুই মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু চন্দ্রগঞ্জ ন্যাশনাল হসপিটালে অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগ  চন্দ্রগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা  রিপোর্টার্স ক্লাবের  সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা

শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা, সহ- বার্তা সম্পাদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ৫২০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
613

 শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম।

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা,  সহ-বার্তা সম্পাদক

লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পারিবারিক আর্থিক অবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। কলেজের মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য শিক্ষাবিষয়ক ব্যয় বহন করা অনেক পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ফলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম চাকরি করতে বাধ্য হয়। এর কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না, যা শিক্ষার মান ও ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দিন দিন কলেজের একাডেমিক পরিবেশ ও ফলাফলের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো: আইউব হোসেন ফাহিম কলেজটি জাতীয়করণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কলেজটি জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ অনেকাংশে কমবে, তারা নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং শিক্ষার সামগ্রিক মান আরও উন্নত হবে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

 

এছাড়াও চন্দ্রগঞ্জকে সরকারিভাবে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণত একটি উপজেলার আওতাধীন একটি সরকারি কলেজ বা জাতীয়কৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উপজেলার অন্যান্য কলেজের তুলনায় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শিক্ষার মান, অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক থেকে অনেক বেশি অগ্রসর। তাই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা— কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে দ্রুত জাতীয়করণ করা হবে এবং এটিকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম

আপডেট সময় : ০৮:১৪:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
613

 শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি জানালেন কলেজ শিবির সভাপতি মোঃ আইউব হোসেন ফাহিম।

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা,  সহ-বার্তা সম্পাদক

লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পারিবারিক আর্থিক অবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। কলেজের মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য শিক্ষাবিষয়ক ব্যয় বহন করা অনেক পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ফলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম চাকরি করতে বাধ্য হয়। এর কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না, যা শিক্ষার মান ও ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দিন দিন কলেজের একাডেমিক পরিবেশ ও ফলাফলের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো: আইউব হোসেন ফাহিম কলেজটি জাতীয়করণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কলেজটি জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ অনেকাংশে কমবে, তারা নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং শিক্ষার সামগ্রিক মান আরও উন্নত হবে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

 

এছাড়াও চন্দ্রগঞ্জকে সরকারিভাবে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণত একটি উপজেলার আওতাধীন একটি সরকারি কলেজ বা জাতীয়কৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উপজেলার অন্যান্য কলেজের তুলনায় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শিক্ষার মান, অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক থেকে অনেক বেশি অগ্রসর। তাই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা— কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে দ্রুত জাতীয়করণ করা হবে এবং এটিকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।