মান্দারীতে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়
- আপডেট সময় : ০৩:৩১:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

মান্দারীতে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়
মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা, সহ-বার্তা সম্পাদক
লক্ষ্মীপুরের নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমনের ওপর হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর-লুটপাট এবং ঈদ শুভেচ্ছার ফেস্টুন বিনষ্টের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা জামায়াত।
সোমবার সকাল ১০টায় চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে মান্দারী বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মান্দারী স্টেশন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুর রহমান, মাস্টার মোস্তফা মোল্লা, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নুর মোহাম্মদ রাছেল, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা জহিরুল ইসলাম, সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইকবাল হোসাইন, ডা. কাউসার হামিদ ও লক্ষ্মীপুর শহর শিবির নেতা জুনায়েদ হোসেন খানসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, “সন্ত্রাসী কায়দায় অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম খাঁন সুমনের ওপর হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর-লুটপাট এবং ঈদ শুভেচ্ছার ফেস্টুন বিনষ্ট করে বিএনপি লক্ষ্মীপুরের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে।”
সমাবেশ শেষ মুহূর্তে বক্তব্যে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নুর মোহাম্মদ রাসেল বলেন, রেজাউল খান সুমন ভাই শান্তভাবে আক্তার মেম্বারকে জিজ্ঞেস করেছিলেন কেন তার পিস্টন ছিড়া হয়েছিল?? পরবর্তীতে মাগরিবের পর আক্তার মেম্বার তার কর্মী বাহিনী নিয়ে রেজাউল খান ও জামায়াতের কর্মীদের উপর হামলা চালায়।। বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে বলেছিল পরিস্থিতি আমরা উত্তপ্ত করতে চাই না, এই পরিস্থিতির জন্য এশার পর বসে সমাধান করব । আমরা তাতে সম্মতি দিয়েছিলাম। কিন্তু এশার পরে তারা রেজাউল খান সুমন ভাই, সুমন ভাইয়ের বড় ভাই চ্যানেল ফ্যাশনে ও দোকানের কর্মচারীদের উপর হামলা চালায়।।।
তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, একদিকে সমঝোতা আর একদিকে হামলা, এটা পরিকল্পিতভাবে আপনারা ঘটিয়েছেন। চন্দ্রগঞ্জ থানার অসি সাহেব আমাকে বলেছিলেন বসে এটি সমাধান করার জন্য আমি তখন বলেছিলাম, আওয়ামী লীগ ১৭ বছর জামায়াতের উপর নির্যাতন করেছিল, আমাদের ভাইদের বাড়িতে আসতে দেয়নি। কিন্তু সেই আওয়ামী লীগ আমাদের গায়ে হাত দেওয়ার সাহস করে নাই। বিএনপির সন্ত্রাসীরা আমার ভাইয়ের গায়ে হাত দিয়েছে আমরা কিভাবে সোমাঝোতায় যাই।।
সমাবেশ থেকে হামলায় জড়িত আক্তার মেম্বারসহ চিহ্নিত ব্যক্তিদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন নেতারা। একই সঙ্গে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

















