সংবাদ শিরোনামঃ
আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমের  এমপি জিলানীর নির্দেশে  মুক্তি পেল ৩ শতাধিক পরিবার আর্জেন্টিনার মার্তিনেজ দৃঢ় ভাবে স্পেনের অবিরাম চাপে ও কৃষকের ৪  টি গরু চুরি এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে  সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যু হলো লক্ষ্মীপুরের আপন দুই ভাইয়ের নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর -নোয়াখালী মহাসড়কের চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিমবাজারে, তদন্তের দাবি নিজের প্রতিবন্ধী কন্যাকে ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ কোটিপতি বাবার বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী আল আমিন গ্রেফতার বেগমগঞ্জে সিএনজি-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ: আলিম পরীক্ষার্থী নিহত, আহত ৪ চন্দ্রগঞ্জে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের দাবি

উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে সর্বস্তরের জনগণের মানববন্ধন

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা, সহ- বার্তা সম্পাদক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
234

 উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে সর্বস্তরের জনগণের মানববন্ধন

মোঃ হাবিবুর রহমান : সহ-বার্তা সম্পাদক

লক্ষ্মীপুর জেলায় নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকাতেই স্থাপন করার দাবিতে আজ শনিবার এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ ঘটিকায় চন্দ্রগঞ্জ বাজারে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের একমাত্র দাবি উপজেলার প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু বা প্রধান ভবনটি কোনোভাবেই চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের বাইরে, বিশেষ করে ‘বটতলী’ এলাকায় নিয়ে যাওয়া যাবে না। এটি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ভেতরেই স্থাপন করতে হবে।

​ইউনিয়নের স্বপক্ষে আন্দোলনকারীদের যুক্তি মানববন্ধনে বক্তব্য রাখার সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ নাগরিকরা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নেই উপজেলা ভবন রাখার পক্ষে বেশ কিছু জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন:

​বিদ্যমান অবকাঠামো: একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলার জন্য যেসব নাগরিক সুবিধা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকা প্রয়োজন, তার প্রায় সবই চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে আগে থেকেই বিদ্যমান।

​নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা: এই এলাকায় চন্দ্রগঞ্জ থানা এবং চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানা—উভয় থানার কার্যালয় অবস্থিত, যা প্রশাসনিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত অনুকূল।

​শিক্ষা ও অর্থনৈতিক হার: এখানে রয়েছে একাধিক ঐতিহ্যবাহী সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক, স্কুল, কলেজ এবং বিভিন্ন এনজিওর প্রধান কার্যালয়।

​জনভোগান্তি হ্রাস: চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নকে বাদ দিয়ে অন্য কোথাও (যেমন বটতলী) ভবন নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে এবং সরকারের অতিরিক্ত অর্থ অপচয় হবে।

​স্থানীয়দের আলটিমেটাম, ​”চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন হচ্ছে এই অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র। এখানে সব ধরনের সরকারি সেবা ও অবকাঠামো প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও কেন প্রশাসনিক ভবন অন্য এলাকায় নেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা আমাদের দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেব।”— মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক।

​মানববন্ধন শেষে বক্তারা অনতিবিলম্বে জনস্বার্থ বিবেচনা করে এবং জনগণের দাবি মেনে নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ভেতরেই উপজেলার স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় তারা রাজপথে আরও বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে সর্বস্তরের জনগণের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৩:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
234

 উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে সর্বস্তরের জনগণের মানববন্ধন

মোঃ হাবিবুর রহমান : সহ-বার্তা সম্পাদক

লক্ষ্মীপুর জেলায় নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন এলাকাতেই স্থাপন করার দাবিতে আজ শনিবার এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ ঘটিকায় চন্দ্রগঞ্জ বাজারে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের একমাত্র দাবি উপজেলার প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু বা প্রধান ভবনটি কোনোভাবেই চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের বাইরে, বিশেষ করে ‘বটতলী’ এলাকায় নিয়ে যাওয়া যাবে না। এটি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ভেতরেই স্থাপন করতে হবে।

​ইউনিয়নের স্বপক্ষে আন্দোলনকারীদের যুক্তি মানববন্ধনে বক্তব্য রাখার সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ নাগরিকরা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নেই উপজেলা ভবন রাখার পক্ষে বেশ কিছু জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন:

​বিদ্যমান অবকাঠামো: একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলার জন্য যেসব নাগরিক সুবিধা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকা প্রয়োজন, তার প্রায় সবই চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে আগে থেকেই বিদ্যমান।

​নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা: এই এলাকায় চন্দ্রগঞ্জ থানা এবং চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানা—উভয় থানার কার্যালয় অবস্থিত, যা প্রশাসনিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত অনুকূল।

​শিক্ষা ও অর্থনৈতিক হার: এখানে রয়েছে একাধিক ঐতিহ্যবাহী সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক, স্কুল, কলেজ এবং বিভিন্ন এনজিওর প্রধান কার্যালয়।

​জনভোগান্তি হ্রাস: চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নকে বাদ দিয়ে অন্য কোথাও (যেমন বটতলী) ভবন নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে এবং সরকারের অতিরিক্ত অর্থ অপচয় হবে।

​স্থানীয়দের আলটিমেটাম, ​”চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন হচ্ছে এই অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র। এখানে সব ধরনের সরকারি সেবা ও অবকাঠামো প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও কেন প্রশাসনিক ভবন অন্য এলাকায় নেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা আমাদের দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেব।”— মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক।

​মানববন্ধন শেষে বক্তারা অনতিবিলম্বে জনস্বার্থ বিবেচনা করে এবং জনগণের দাবি মেনে নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ভেতরেই উপজেলার স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় তারা রাজপথে আরও বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।