সংবাদ শিরোনামঃ
স্টারলাইন বাসের বেপরোয়া গতি ও গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে, শিশু পড়ে যাওয়ার অভিযোগ, চালকের আচরণে ক্ষুব্ধ যাত্রীগন বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০ চন্দ্রগঞ্জে সিএনজি-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ আহত ৪, শিক্ষার্থীকে ঢাকায় প্রেরণ ব্যতিক্রম ফ্যাশন’ শোরুম এখন চন্দ্রগঞ্জে : ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উদ্বোধন, বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দিচ্ছে ৫০% পর্যন্ত চন্দ্রগঞ্জে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথ সভা অনুষ্ঠিত  মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে চন্দ্রগঞ্জে গ্রেফতার ৭ লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক ফটিকছড়িতে পুকুরে ডুবে দুই মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু চন্দ্রগঞ্জ ন্যাশনাল হসপিটালে অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগ  চন্দ্রগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা  রিপোর্টার্স ক্লাবের  সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা

একজন মফস্বল সাংবাদিকের জন্মদিন: আলো-আঁধারের পথ পেরিয়ে সত্যের অভিযাত্রী হওয়ার অঙ্গীকার

এ এস রাজিব হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৬৬৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
982

একজন মফস্বল সাংবাদিকের জন্মদিন: আলো-আঁধারের পথ পেরিয়ে সত্যের অভিযাত্রী হওয়ার অঙ্গীকার

সবার আগে কৃতজ্ঞতা-জন্মদিনে যারা আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি শুভেচ্ছা আমার কাছে শুধু শব্দ নয়; যেন অন্ধকার ভেদ করে আসা আলোর একটি রেখা, দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে বিশ্বাস ধরে রাখার একটি শক্তি।

আমি কবির আহমদ ফারুক-একজন মফস্বল সাংবাদিক।
এই পরিচয় আমার কাছে কোনো সাধারণ পরিচয় নয়; এটি আমার জীবনের অঙ্গীকার, দায়িত্ব, সংগ্রাম ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার নাম। নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের মাটি ও মানুষের হাসি-কান্না, অবহেলার ধুলোমাখা সত্য এবং লুকানো যন্ত্রণাকে আমি বছরের পর বছর ধরে তুলে ধরেছি আমার অনড় কলমে।

১০ ডিসেম্বর-আমার জন্মদিন।
জাঁকজমকপূর্ণ কোনো দিন নয়, বরং আত্মসমীক্ষার দিন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখি এক পথযাত্রী মানুষকে-যে আলো-আঁধারের অসংখ্য বাঁক পেরিয়ে সামনে এগিয়ে গেছে শুধু সত্যের টানে।

৩৭ বছরের সাংবাদিকতা।
পথটা কখনোই মসৃণ ছিল না।
হামলার শিকার হয়েছি-রক্ত ঝরেছে; তবুও কলম থামাইনি।
অপবাদ এসেছে-কেউ আমাকে নড়াতে পারেনি।
মিথ্যা মামলায় কারাগারে যেতে হয়েছে-তবুও বিবেকের আদালতে আমি পরাজিত হইনি।
অপশক্তি, প্রভাবশালী মহল, বাহিনীর চাপ-কিছুই আমার সত্যের পথ আটকে রাখতে পারেনি।

কারণ আমি বিশ্বাস করি-
সত্যকে দমিয়ে রাখার ক্ষমতা কোনো মিথ্যার নেই।

রাতের গভীর নিস্তব্ধতায়
যখন একা হয়ে পড়েছি,
যখন মানহানি আর অবহেলার বিষ আমার চারপাশে ঘিরে ধরেছে-
তখন চোখের সামনে ভেসে উঠেছে সেই মানুষগুলোর মুখ, যাদের গল্প আমি লিখেছি।
তাদের বিশ্বাসই আমাকে আবার মাঠে নামিয়েছে, আবার কলম ধরিয়েছে।

আজও সেই পথেই আছি-ঝুঁকি নিয়ে, দৃঢ় পায়ে হাঁটছি সামনে।
কারণ সাংবাদিকতা আমার কাছে শুধু পেশা নয়;
এটি একটি আজীবন লড়াই-সত্য, মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে।

তরুণ সাংবাদিকদের দেখলে আজও আশাবাদী হই।
তাদের উদ্যম, প্রশ্ন, সৃজনশীলতা আমাকে মনে করিয়ে দেয়-
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ আলোর দিকে এগোচ্ছে।
তাদের চোখে আমি দেখতে পাই সেই সম্ভাবনা, যা সাংবাদিকতার মানচিত্রকে আরও সামনে নিয়ে যাবে।

জন্মদিনে তাই আমার চাওয়া খুবই সামান্য-
যে পথে আমি সত্য খুঁজেছি,
যে পথের জন্য এত মূল্য দিতে হয়েছে,
সেই পথ তরুণরা আরও শক্ত হাতে সামনে এগিয়ে নিক।

সত্যের পথ কঠিন, কাঁটায় ভরা-
তবু এই পথই ভবিষ্যৎ বদলে দেয়।

জন্মদিনে আপনাদের আবারও আমার কৃতজ্ঞতা।
আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও বিশ্বাসই আমার পুরো সাংবাদিকতা জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

যতদিন কলম চলবে-
আমি লিখব মানুষ ও সত্যের পক্ষে।

আমি কবির আহমদ ফারুক-সব বাধা পেরিয়ে আবারও নতুন দিনের অভিযাত্রায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একজন মফস্বল সাংবাদিকের জন্মদিন: আলো-আঁধারের পথ পেরিয়ে সত্যের অভিযাত্রী হওয়ার অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
982

একজন মফস্বল সাংবাদিকের জন্মদিন: আলো-আঁধারের পথ পেরিয়ে সত্যের অভিযাত্রী হওয়ার অঙ্গীকার

সবার আগে কৃতজ্ঞতা-জন্মদিনে যারা আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি শুভেচ্ছা আমার কাছে শুধু শব্দ নয়; যেন অন্ধকার ভেদ করে আসা আলোর একটি রেখা, দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে বিশ্বাস ধরে রাখার একটি শক্তি।

আমি কবির আহমদ ফারুক-একজন মফস্বল সাংবাদিক।
এই পরিচয় আমার কাছে কোনো সাধারণ পরিচয় নয়; এটি আমার জীবনের অঙ্গীকার, দায়িত্ব, সংগ্রাম ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার নাম। নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের মাটি ও মানুষের হাসি-কান্না, অবহেলার ধুলোমাখা সত্য এবং লুকানো যন্ত্রণাকে আমি বছরের পর বছর ধরে তুলে ধরেছি আমার অনড় কলমে।

১০ ডিসেম্বর-আমার জন্মদিন।
জাঁকজমকপূর্ণ কোনো দিন নয়, বরং আত্মসমীক্ষার দিন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখি এক পথযাত্রী মানুষকে-যে আলো-আঁধারের অসংখ্য বাঁক পেরিয়ে সামনে এগিয়ে গেছে শুধু সত্যের টানে।

৩৭ বছরের সাংবাদিকতা।
পথটা কখনোই মসৃণ ছিল না।
হামলার শিকার হয়েছি-রক্ত ঝরেছে; তবুও কলম থামাইনি।
অপবাদ এসেছে-কেউ আমাকে নড়াতে পারেনি।
মিথ্যা মামলায় কারাগারে যেতে হয়েছে-তবুও বিবেকের আদালতে আমি পরাজিত হইনি।
অপশক্তি, প্রভাবশালী মহল, বাহিনীর চাপ-কিছুই আমার সত্যের পথ আটকে রাখতে পারেনি।

কারণ আমি বিশ্বাস করি-
সত্যকে দমিয়ে রাখার ক্ষমতা কোনো মিথ্যার নেই।

রাতের গভীর নিস্তব্ধতায়
যখন একা হয়ে পড়েছি,
যখন মানহানি আর অবহেলার বিষ আমার চারপাশে ঘিরে ধরেছে-
তখন চোখের সামনে ভেসে উঠেছে সেই মানুষগুলোর মুখ, যাদের গল্প আমি লিখেছি।
তাদের বিশ্বাসই আমাকে আবার মাঠে নামিয়েছে, আবার কলম ধরিয়েছে।

আজও সেই পথেই আছি-ঝুঁকি নিয়ে, দৃঢ় পায়ে হাঁটছি সামনে।
কারণ সাংবাদিকতা আমার কাছে শুধু পেশা নয়;
এটি একটি আজীবন লড়াই-সত্য, মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে।

তরুণ সাংবাদিকদের দেখলে আজও আশাবাদী হই।
তাদের উদ্যম, প্রশ্ন, সৃজনশীলতা আমাকে মনে করিয়ে দেয়-
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ আলোর দিকে এগোচ্ছে।
তাদের চোখে আমি দেখতে পাই সেই সম্ভাবনা, যা সাংবাদিকতার মানচিত্রকে আরও সামনে নিয়ে যাবে।

জন্মদিনে তাই আমার চাওয়া খুবই সামান্য-
যে পথে আমি সত্য খুঁজেছি,
যে পথের জন্য এত মূল্য দিতে হয়েছে,
সেই পথ তরুণরা আরও শক্ত হাতে সামনে এগিয়ে নিক।

সত্যের পথ কঠিন, কাঁটায় ভরা-
তবু এই পথই ভবিষ্যৎ বদলে দেয়।

জন্মদিনে আপনাদের আবারও আমার কৃতজ্ঞতা।
আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও বিশ্বাসই আমার পুরো সাংবাদিকতা জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

যতদিন কলম চলবে-
আমি লিখব মানুষ ও সত্যের পক্ষে।

আমি কবির আহমদ ফারুক-সব বাধা পেরিয়ে আবারও নতুন দিনের অভিযাত্রায়।