সংবাদ শিরোনামঃ
১৪ নং মান্দারী জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর করেন বিএনপি পন্থি নেতাকর্মী গোপালগঞ্জে টোল আদায়ের সময় ট্রাকের ধাক্কায় রাজ সিকদার এর মৃত্যু দেশবাসী-কে পবিত্র ঈদ উল-আযহার শুভেচ্ছা জানালেন বাহাউদ্দীন মৃধা উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে সর্বস্তরের জনগণের মানববন্ধন উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় খালেক মির্জা প্রতি বছরের মতো এবারও শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়েছেন বাপ্পি চৌধুরী, গরিব ও অসহায়দের মাঝে গাইড বিতরণ করেছেন তিনি চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ভবন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে চন্দ্রগঞ্জবাসী জলদস্যুরা সুন্দরবনে ৬ জেলেকে অপহরণ, এলাকা জুড়ে শোকের মাতম সড়কে লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করলো কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

ইয়াছিন আরাফাত,সহকারী সম্পাদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৮০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
246

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

  1. ইয়াছিন আরাফাত,সহকারী সম্পাদক |

গত কয়েকদিনের তীব্র তাপদাহে যখন জনজীবন ওষ্ঠাগত, তখন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে অনিয়মিত লোডশেডিং। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন এখন বিপর্যস্ত।

তপ্ত দুপুরে তো বটেই, গভীর রাতেও মিলছে না স্বস্তি। স্থানীয়দের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিভুক্ত এলাকাগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সবচাইতে বেশি।

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে কল-কারখানার উৎপাদন এবং ব্যঘ্যাত ঘটছে স্বাভাবিক গৃহস্থালি কাজে।

তীব্র গরম আর বিদ্যুতের অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা। ভ্যাপসা গরমে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া ও হিটস্ট্রোকের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন জানান:

“এমনিতেই গরমে জান যায় যায়, তার উপর ফ্যান চলে না। ছোট বাচ্চাটা গরমে অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করছে, শরীর ঘামাচিতে ভরে গেছে। এই অবস্থায় আমরা যাবো কোথায়?”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়ার চায়ের দোকান—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বিদ্যুৎ বিভ্রাট। লক্ষ্মীপুরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজে থাকা পচনশীল পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির সংকটও দেখা দিচ্ছে।

এদিকে বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুর ১ং ওয়াড এর মেম্বার পদপ্রার্থী ইমাম হোসেন জানান,আমরা পরপর কয়েকবার আমিন বাজার জোনাল অফিসে গিয়ে প্রতিবাদ করার পরেও এর কোনো সমাধান পাইনি।এই বিষয়ে দ্রুত সমাধান চান এলাকাবাসী।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানাচ্ছে, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দের ঘাটতি থাকায় এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি।

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরবাসীর এখন একটাই দাবি—দ্রুত লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহতা কমিয়ে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরিয়ে আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
246

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

  1. ইয়াছিন আরাফাত,সহকারী সম্পাদক |

গত কয়েকদিনের তীব্র তাপদাহে যখন জনজীবন ওষ্ঠাগত, তখন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে অনিয়মিত লোডশেডিং। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন এখন বিপর্যস্ত।

তপ্ত দুপুরে তো বটেই, গভীর রাতেও মিলছে না স্বস্তি। স্থানীয়দের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিভুক্ত এলাকাগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সবচাইতে বেশি।

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে কল-কারখানার উৎপাদন এবং ব্যঘ্যাত ঘটছে স্বাভাবিক গৃহস্থালি কাজে।

তীব্র গরম আর বিদ্যুতের অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা। ভ্যাপসা গরমে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া ও হিটস্ট্রোকের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন জানান:

“এমনিতেই গরমে জান যায় যায়, তার উপর ফ্যান চলে না। ছোট বাচ্চাটা গরমে অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করছে, শরীর ঘামাচিতে ভরে গেছে। এই অবস্থায় আমরা যাবো কোথায়?”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়ার চায়ের দোকান—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বিদ্যুৎ বিভ্রাট। লক্ষ্মীপুরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজে থাকা পচনশীল পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির সংকটও দেখা দিচ্ছে।

এদিকে বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুর ১ং ওয়াড এর মেম্বার পদপ্রার্থী ইমাম হোসেন জানান,আমরা পরপর কয়েকবার আমিন বাজার জোনাল অফিসে গিয়ে প্রতিবাদ করার পরেও এর কোনো সমাধান পাইনি।এই বিষয়ে দ্রুত সমাধান চান এলাকাবাসী।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানাচ্ছে, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দের ঘাটতি থাকায় এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি।

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরবাসীর এখন একটাই দাবি—দ্রুত লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহতা কমিয়ে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরিয়ে আনা হোক।