সংবাদ শিরোনামঃ
সুবর্ণচর মাদ্রাসার চাল ক্রয় নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে জামায়াতের নিন্দা ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু স্বামীকে গলা কেটে হত্যা করলো স্ত্রী, এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। নৃশংস পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা হওয়ায় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা হওয়ায় প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাজার প্রাঙ্গনে বিজয় মিছিল পুরাতন থানা ভবনে উপজেলা ভবনের কার্যক্রম শুরুর দাবি চন্দ্রগঞ্জবাসীর।।  নিখোঁজ মাদরাসা শিক্ষকের সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে সেলিম (৫০)আটক

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

ইয়াছিন আরাফাত,সহকারী সম্পাদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
228

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

  1. ইয়াছিন আরাফাত,সহকারী সম্পাদক |

গত কয়েকদিনের তীব্র তাপদাহে যখন জনজীবন ওষ্ঠাগত, তখন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে অনিয়মিত লোডশেডিং। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন এখন বিপর্যস্ত।

তপ্ত দুপুরে তো বটেই, গভীর রাতেও মিলছে না স্বস্তি। স্থানীয়দের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিভুক্ত এলাকাগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সবচাইতে বেশি।

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে কল-কারখানার উৎপাদন এবং ব্যঘ্যাত ঘটছে স্বাভাবিক গৃহস্থালি কাজে।

তীব্র গরম আর বিদ্যুতের অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা। ভ্যাপসা গরমে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া ও হিটস্ট্রোকের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন জানান:

“এমনিতেই গরমে জান যায় যায়, তার উপর ফ্যান চলে না। ছোট বাচ্চাটা গরমে অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করছে, শরীর ঘামাচিতে ভরে গেছে। এই অবস্থায় আমরা যাবো কোথায়?”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়ার চায়ের দোকান—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বিদ্যুৎ বিভ্রাট। লক্ষ্মীপুরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজে থাকা পচনশীল পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির সংকটও দেখা দিচ্ছে।

এদিকে বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুর ১ং ওয়াড এর মেম্বার পদপ্রার্থী ইমাম হোসেন জানান,আমরা পরপর কয়েকবার আমিন বাজার জোনাল অফিসে গিয়ে প্রতিবাদ করার পরেও এর কোনো সমাধান পাইনি।এই বিষয়ে দ্রুত সমাধান চান এলাকাবাসী।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানাচ্ছে, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দের ঘাটতি থাকায় এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি।

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরবাসীর এখন একটাই দাবি—দ্রুত লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহতা কমিয়ে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরিয়ে আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
228

তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের দাপট: নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত

  1. ইয়াছিন আরাফাত,সহকারী সম্পাদক |

গত কয়েকদিনের তীব্র তাপদাহে যখন জনজীবন ওষ্ঠাগত, তখন বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে অনিয়মিত লোডশেডিং। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন এখন বিপর্যস্ত।

তপ্ত দুপুরে তো বটেই, গভীর রাতেও মিলছে না স্বস্তি। স্থানীয়দের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি যেন ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিভুক্ত এলাকাগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সবচাইতে বেশি।

ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে কল-কারখানার উৎপাদন এবং ব্যঘ্যাত ঘটছে স্বাভাবিক গৃহস্থালি কাজে।

তীব্র গরম আর বিদ্যুতের অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা। ভ্যাপসা গরমে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া ও হিটস্ট্রোকের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন জানান:

“এমনিতেই গরমে জান যায় যায়, তার উপর ফ্যান চলে না। ছোট বাচ্চাটা গরমে অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করছে, শরীর ঘামাচিতে ভরে গেছে। এই অবস্থায় আমরা যাবো কোথায়?”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়ার চায়ের দোকান—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বিদ্যুৎ বিভ্রাট। লক্ষ্মীপুরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজে থাকা পচনশীল পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির সংকটও দেখা দিচ্ছে।

এদিকে বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুর ১ং ওয়াড এর মেম্বার পদপ্রার্থী ইমাম হোসেন জানান,আমরা পরপর কয়েকবার আমিন বাজার জোনাল অফিসে গিয়ে প্রতিবাদ করার পরেও এর কোনো সমাধান পাইনি।এই বিষয়ে দ্রুত সমাধান চান এলাকাবাসী।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানাচ্ছে, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দের ঘাটতি থাকায় এই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি।

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরবাসীর এখন একটাই দাবি—দ্রুত লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহতা কমিয়ে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরিয়ে আনা হোক।