সংবাদ শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জে অবৈধ জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার ৮ চন্দ্রগঞ্জ আফজাল রোডে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ ও গাড়ি চালক চন্দ্রগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বিধবার জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকি থানায় মামলা চন্দ্রগঞ্জে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গোপালগঞ্জে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা কান্নার কারণে দুই মাসের শিশুকে মেরে ফেললেন পাষন্ড বাবা চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির হরিলুট ও অব্যবস্থাপনায় পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কর্মবিরতি গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ চন্দ্রগঞ্জ সাব- রেজিষ্ট্রি অফিসে “অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৬” অনুষ্ঠিত মৌসুম শুরুর আগেই সারাদেশে ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করেছে 

নৃশংস পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

মীর মোঃ মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
189

নৃশংস পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

মীর মোঃ মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি

 

 

 

 

এ ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকাজুড়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে রাজধানী সংলগ্ন পদ্মা সেতু এলাকায় সেতুর ওপর থেকে তার ব্যবহৃত একটি ব্যাগ ও কাপড় উদ্ধার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

 

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতরা হলেন ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।
পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর এলাকায়। ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছিল।

নৃশংস এই খুনের নিহতদের স্বজনদের বরাতে জানা যায়, ঘটনার পরদিন শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। এরপর প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে পান।

 

ঘরের মেঝেতে তিন শিশুর গলাকাটা মরদেহ পাশাপাশি পড়ে ছিল। মা শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ বিছানার ওপর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েস ও কোমল পানীয়ের বোতলও উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, মরদেহের পাশে বেশ কিছু প্রিন্ট করা কাগজ পাওয়া যায়, যেখানে ফোরকান তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পরকীয়ার অভিযোগ করেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে।

মীর মোঃ মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নৃশংস পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

আপডেট সময় : ১১:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
189

নৃশংস পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

মীর মোঃ মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি

 

 

 

 

এ ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকাজুড়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে রাজধানী সংলগ্ন পদ্মা সেতু এলাকায় সেতুর ওপর থেকে তার ব্যবহৃত একটি ব্যাগ ও কাপড় উদ্ধার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

 

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতরা হলেন ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।
পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর এলাকায়। ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছিল।

নৃশংস এই খুনের নিহতদের স্বজনদের বরাতে জানা যায়, ঘটনার পরদিন শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। এরপর প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে পান।

 

ঘরের মেঝেতে তিন শিশুর গলাকাটা মরদেহ পাশাপাশি পড়ে ছিল। মা শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং শ্যালক রসুল মিয়ার মরদেহ বিছানার ওপর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, রান্না করা পায়েস ও কোমল পানীয়ের বোতলও উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, মরদেহের পাশে বেশ কিছু প্রিন্ট করা কাগজ পাওয়া যায়, যেখানে ফোরকান তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পরকীয়ার অভিযোগ করেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে।

মীর মোঃ মনির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি