সংবাদ শিরোনামঃ
সুবর্ণচর মাদ্রাসার চাল ক্রয় নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে জামায়াতের নিন্দা ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু স্বামীকে গলা কেটে হত্যা করলো স্ত্রী, এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। নৃশংস পাঁচ খুনের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা হওয়ায় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা হওয়ায় প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাজার প্রাঙ্গনে বিজয় মিছিল পুরাতন থানা ভবনে উপজেলা ভবনের কার্যক্রম শুরুর দাবি চন্দ্রগঞ্জবাসীর।।  নিখোঁজ মাদরাসা শিক্ষকের সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে সেলিম (৫০)আটক

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

হাবিবুর রহমান মোল্লা :নিজস্ব প্রতিবেদক, চন্দ্রগঞ্জ |
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
290

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

হাবিবুর রহমান মোল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চন্দ্রগঞ্জ |

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি ও রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক জাহাঙ্গীর আলম।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম ১৯৯৮ সাল থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজপথে সক্রিয় হন। বিগত দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
রাজনীতির এই দীর্ঘ পথচলায় তাকে বারবার জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের সম্মুখীন হন এবং এক পর্যায়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বর্তমানে পঙ্গুত্বের বোঝা বয়ে বেড়ালেও দলের প্রতি তার আনুগত্য ও ভালোবাসা বিন্দুমাত্র কমেনি।

পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘কোয়ার বাড়ি’র সন্তান জাহাঙ্গীর আলম। তার বাবার নাম ফজর আলী। স্থানীয় পর্যায়ে একনিষ্ঠ ও বিনয়ী কর্মী হিসেবে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।

ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সাধারণ কর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী জানান, যারা দলের জন্য রক্ত দিয়েছেন, নির্যাতিত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদেরই আগামী দিনের নেতৃত্বে আনা উচিত। জাহাঙ্গীর আলমের মতো ত্যাগী নেতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমি পদের জন্য রাজনীতি করিনি, শহীদ জিয়ার আদর্শকে ভালোবেসে রাজপথে ছিলাম। দলের দুঃসময়ে নিযাতিত হয়ে আজ আমি পঙ্গু, তবুও দলের প্রশ্নে আমি আপসহীন। দল যদি আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করে আমাকে দায়িত্ব দেয়, তবে সাধারণ কর্মীদের সাথে নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলকে একটি শক্তিশালী ইউনিটে রূপান্তর করব।”
আসন্ন কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্ব আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

আপডেট সময় : ১০:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
290

ত্যাগী ও নির্যাতিত জাহাঙ্গীর আলম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী

হাবিবুর রহমান মোল্লা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চন্দ্রগঞ্জ |

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি ও রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক জাহাঙ্গীর আলম।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম ১৯৯৮ সাল থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজপথে সক্রিয় হন। বিগত দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
রাজনীতির এই দীর্ঘ পথচলায় তাকে বারবার জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি ভয়াবহ শারীরিক নির্যাতনের সম্মুখীন হন এবং এক পর্যায়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বর্তমানে পঙ্গুত্বের বোঝা বয়ে বেড়ালেও দলের প্রতি তার আনুগত্য ও ভালোবাসা বিন্দুমাত্র কমেনি।

পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘কোয়ার বাড়ি’র সন্তান জাহাঙ্গীর আলম। তার বাবার নাম ফজর আলী। স্থানীয় পর্যায়ে একনিষ্ঠ ও বিনয়ী কর্মী হিসেবে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।

ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সাধারণ কর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী জানান, যারা দলের জন্য রক্ত দিয়েছেন, নির্যাতিত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদেরই আগামী দিনের নেতৃত্বে আনা উচিত। জাহাঙ্গীর আলমের মতো ত্যাগী নেতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমি পদের জন্য রাজনীতি করিনি, শহীদ জিয়ার আদর্শকে ভালোবেসে রাজপথে ছিলাম। দলের দুঃসময়ে নিযাতিত হয়ে আজ আমি পঙ্গু, তবুও দলের প্রশ্নে আমি আপসহীন। দল যদি আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করে আমাকে দায়িত্ব দেয়, তবে সাধারণ কর্মীদের সাথে নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলকে একটি শক্তিশালী ইউনিটে রূপান্তর করব।”
আসন্ন কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্ব আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।